চোখ পরিষ্কার করার বিষয়টি খানিকটা অদ্ভূত মনে হলেও এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির জন্য প্রয়োজন বাড়তি যত্ন।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ভারতীয় চক্ষু চিকিৎসক ডা. কেইকি মেহতা বলেন, “শীতের মৌসুমে চোখে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে তাই বাড়তি যত্নের প্রয়োজন পড়ে। শীতের সময় অনেক ধুলোবালি থাকে। তাই ধুলোবালি যাতে চোখে না পড়ে সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে।”
এছাড়াও যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা:
শীতের সময় ঘরে ফিরে মুখ, হাত, পা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। সম্ভব হলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করে নেওয়া যেতে পারে।
আলাদা তোয়ালে ব্যবহার:
শরীরের জন্য যে তোয়ালে ব্যবহার করা হয় মুখের ক্ষেত্রে তা বাদ দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। মুখ মোছার জন্য আলাদা নরম তোয়ালে বা টিস্যু পেপার ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে শরীরের জীবাণু চোখের সংস্পর্শে আসবে না।
চশমা পরিষ্কার রাখা:
পাওয়ারসহ চশমা হোক বা সানগ্লাস, সবসময় পরিষ্কার রাখা জরুরি। যারা বেশি পাওয়ারের চশমা পরেন, শীতের সময় তাদের উচিত ব্যাগে একটি বাড়তি চশমা রাখা। কারণ কুয়াশা পড়ে চশমা ঘোলা হয়ে যেতে পারে।
লেন্স পরার ক্ষেত্রে সচেতন থাকুন:
যারা লেন্স ব্যবহার করেন তাদেরও উচিত হবে সঙ্গে বাড়তি লেন্স ও আনুসঙ্গিক জিনিসগুলো রাখা। লেন্সে যাতে ধুলাবালি না ঢোকে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে সানগ্লাস কাজে লাগাতে পারেন।
চোখে পানির ঝাপটা দেওয়া:
দিন শেষে ঘরে ফিরে পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখে ঝাপটা দেওয়া উচিত। তবে এর আগে হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। হালকাভাবে চোখে পানি ঝাপটা দেওয়া হলে চোখ পরিষ্কার থাকবে।
চোখ অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অঙ্গ। তাই চোখে কোনো কিছু ঠুকে গেলে সঙ্গে সঙ্গে পানির ঝাপটা দেওয়া উচিত। তাছাড়া ধুলোবালি চোখে পড়লে চুলকানি বা অস্বস্থি হতে পারে। তখন যত দ্রুত সম্ভব চোখে পরিষ্কার পানি ছিটিয়ে মুছে নিতে হবে।
