আগামী বছরে অনেকগুলো স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জারটি আর চালানো যাবে না। হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ৪.০.৩ বা আইসক্রিম স্যান্ডউইচের নিচের কোনো সংস্করণের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ সুবিধা রাখবে না। এই সেবাটি চালাতে হলে অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস ও উইন্ডোজের হালনাগাদ সংস্করণযুক্ত স্মার্টফোন ব্যবহার করতে হবে।
এর আগে হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে বলা হয়, বেশির ভাগ মানুষ যে মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে, তাকে বেশি গুরুত্ব দেবে হোয়াটসঅ্যাপ। তাই ২০১৬ সালের শেষ নাগাদ অ্যান্ড্রয়েড ২.১, ২.২ উইন্ডোজ ফোন ৭, আইফোন থ্রিজি বা আইওএস ৬ থেকে সমর্থন তুলে নেবে হোয়াটসঅ্যাপ। তবে ব্ল্যাকবেরি ওএস, ব্ল্যাকবেরি ১০, নকিয়া এস ৪০, সিমবিয়ান এস ৬০ স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ২০১৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত সমর্থন বাড়াচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ।
হোয়াটসঅ্যাপ বিটা নামের এক টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে হোয়াটসঅ্যাপের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি।
হোয়াটসঅ্যাপের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারী আর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন না। অন্যান্য ফোনের পুরোনো সংস্করণের ক্ষেত্রেও এ অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
২০১৪ সালে ১ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে হোয়াটসঅ্যাপকে কিনে নেয় ফেসবুক। যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির ইতিহাসে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় অধিগ্রহণের চুক্তি।
২০০৯ সালে বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ হিসেবে যাত্রা শুরু করে হোয়াটসঅ্যাপ। এখন প্রতিটি মোবাইল প্ল্যাটফর্মে রয়েছে এই অ্যাপটি। স্কাইপ ও ভাইবারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে বিভিন্ন ফিচারও এনেছে হোয়াটসঅ্যাপ।
সম্প্রতি সপ্তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১০০ কোটি ব্যবহারকারীর মাইলফলক ছোঁয়ার কথা জানায় হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ হোয়াটসঅ্যাপের ১০০ কোটি ব্যবহারকারীর ঘোষণা দিয়ে বলেন, প্রতিদিন এ সেবাটি থেকে ৪ হাজার ২০০ কোটি বার্তা আদান-প্রদান করা হয়।
