ইউরোপে মানবপাচারে জড়িত চক্রগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জোটের পুলিশ সংস্থা ইউরোপোল-এর বাজেট ও সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷

ইউরোপীয় কমিশন বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ইউরোপে সক্রিয় মানবপাচারকারী চক্রগুলো ভেঙে দিতে ইউরোপোলের জন্য আরো বেশি পরিমাণ অর্থ, জনবল এবং সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন৷
ইইউর নির্বাহী সংস্থা জানিয়েছে, ইইউর সদস্য দেশগুলো এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আলোচকেরা ইউরোপোলের অ্যান্টি-স্মাগলিং সেন্টারের (ইএমএসসি) সম্প্রসারণে একমত হয়েছেন৷
এই কেন্দ্র এখন থেকে ইইউর বিচার সংস্থা ইউরোজাস্ট এবং ইইউর সীমান্ত সুরক্ষা সংস্থা ফ্রন্টেক্স-এর সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে কাজ করবে৷
এই ঘোষণার অধীনে, ইউরোপোল অতিরিক্ত ৫০ জন কর্মী এবং অতিরিক্ত পাঁচ কোটি ইউরো অর্থ পাবে৷ এর মধ্যে দুই কোটি ইউরো ব্যবহার করা হবে বায়োমেট্রিক তথ্য অর্থাৎ আঙুলের ছাপ ও মুখের অবয়ব সংগ্রহ ও সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার উন্নতিতে৷
ইউরোপোল-কে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকেও তথ্য ভাগাভাগি করতে হবে জানিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন৷
বর্তমানে ইউরোপোলের কর্মী সংখ্যা এক হাজার চারশ৷ নেদারল্যান্ডসের প্রশাসনিক রাজধানী হেগের সদরদপ্তর থেকে সংস্থাটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ, সাইবার অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা দিয়ে আসছে৷
ইইউর অভিবাসন কমিশনার মাগনুস ব্রুনার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘‘এই বিধান আমাদের নতুন অভিবাসন ব্যবস্থার অংশ৷ কে বা কারা ইউরোপে আসবেন তা আমরা ঠিক করব, পাচারকারীরা নয়৷’’
ইউরোপোলকে শক্তিশালী করার প্রস্তাবটি ইউরোপীয় কমিশন ২০২৩ সালের নভেম্বরে প্রথমবারের মতো উত্থাপন করেছিলো৷ তবে বিষয়টি এখনও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে৷

