কফিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কফি ডায়াবেটিস মেলাইটিস, পারকিনসন্স ডিজিজ এবং কলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। এটি মেজাজের উন্নতি ঘটায় এবং বিষণ্ণতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। কফি আপনাকে সতর্ক ও মনযোগী থাকতে সাহায্য করে। কিছু উপায়ে আপনি কফিকে মস্তিস্কের জন্য স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারেন। চলুন তাহলে জেনে নিই মস্তিস্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীভাবে কফি তৈরি করার পন্থাগুলো।
১. অর্গানিক কফি বেছে নিন
সাধারণত ফসল উৎপাদনের সময় কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। অর্গানিক ফসলে সেই ঝুঁকি নেই। তাই কফি কেনার সময়ে অর্গানিক কফি কিনুন।
২. দুধ বাদ দিন
কফিকে মস্তিষ্কের জন্য স্বাস্থ্যকরভাবে তৈরি করতে চাইলে এতে দুধ যোগ করা বাদ দিন। যদি একান্তই দুধ ছাড়া কফি পান করতে না পারেন তাহলে সয়া দুধ বা কাঠবাদামের দুধ বা রাইস মিল্ক ব্যবহার করুন। গবেষণা মতে গরুর দুধের চেয়ে এই দুধগুলো উপকারী ।
৩. ক্রিম বাদ দিন
যদি আপনার কফিতে ক্রিম যোগ করার অভ্যাস থাকে তাহলে তা আজই বাদ দিন। এটি মস্তিষ্ক এবং সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়। এটি ওজন বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।
৪. কৃত্রিম মিষ্টিকারক বাদ দিন
অনেকেই চিনির পরিবর্তে কৃত্রিম মিষ্টিকারক ব্যবহার করেন। কিন্তু এটি মস্তিষ্কের জন্য উপকারী তো নয়ই বরং লুজ মোশন, ত্বকের যন্ত্রণা, মাথাব্যথা এবং শ্বসনতন্ত্রের সমস্যা সৃষ্টি করে।
৫. চিনি বাদ দিন
চিনি ইনফ্লামেশন সৃষ্টি করে এবং মস্তিষ্কের জন্যও ক্ষতিকর। চিনির পরিবর্তে প্রাকৃতিক মিষ্টিকারক মধু ব্যবহার করতে পারেন। মধু স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
৬. মসলা যোগ করুন
দারুচিনি, জায়ফল এবং এলাচি শুধু সুগন্ধি মসলাই নয় এগুলোতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও থাকে। দারুচিনি রক্তের কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড এবং গ্লুকোজের মাত্রা কমতে সাহায্য করে যা হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি কমায়। তাই আপনার কফির সাথে দারুচিনি যোগ করতে পারেন।
৭. চকলেট যোগ করুন
ডার্ক চকলেটে বায়ো এক্টিভ নাইট্রিক অক্সাইড (NO) থাকে যা রক্তনালীকে প্রসারিত হতে সাহায্য করে। যার ফলে অক্সিজেন গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাই কফিতে ডার্ক চকলেট যোগ করতে পারেন।
কিন্তু অন্য সব জিনিসের মতোই কফিও পরিমিত পরিমাণেই পান করা উচিৎ, যেহেতু এতে ক্যাফেইনের মত আসক্তি সৃষ্টিকারী উপাদান থাকে।
