২০২৯ সালের মধ্যে কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইবিএম । এরইমধ্যেই বৃহৎ সিস্টেম তৈরির রোডম্যাপ নিয়ে কাজ শুরু করছে প্রতিষ্ঠানটি। কোয়ান্টাম কম্পিউটার যৌথভাবে কাজ করে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সাথে।

সম্মিলিতভাবে এমন সব সমস্যার দ্রুত সমাধান কোয়ান্টাম কম্পিউটার দিতে পারে। তবে এখানে প্রশ্ন উঠেছে রিয়েল টাইমে অনলাইনে সাধারণ কম্পিউটার থেকে কোয়ান্টাম কম্পিউটার দ্রুত হয়ে গেলে কি হবে তাই নিয়ে।
নিউইয়র্কে তাদের নির্মাণাধীন একটি ডেটা সেন্টারে ‘স্টারলিং’ নামের কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি করার পরিকল্পনা আইবিএমের। বলা হচ্ছে এতে ২০০টি লজিকাল কিউবিট থাকবে। কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মৌলিক একক হলো কিউবিট।
কোয়ান্টাম কম্পিউটার নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন, আইবিএম মাইক্রোসফ্ট, অ্যালফাবেটের গুগল এবং অ্যামাজন ডটকমের মতো অন্যান্য টেক জায়ান্টদের পাশাপাশি কয়েকশ মিলিয়ন ডলার মূলধন সংগ্রহকারী স্টার্টআপের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। সকলেই ‘দ্রুত কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ’ কিউবিটের মতন মৌলিক সমস্যায় আটকে আছে।

