খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। কথিত আছে “পুরুষদের হৃদয়ের রাস্তা পেট হয়ে যায়”। পেট ভরার জন্য প্রয়োজন পড়ে মজার মজার রান্নার। আর এই রান্নার কাজকে সহজ করে দিতে প্রয়োজন কিছু কৌশলের। এমন কিছু কৌশল যা রান্নার কাজকে সহজ করে সময় বাঁচিয়ে দিবে অনেকখানি। যেমন খাবারের স্বাদ বৃদ্ধির জন্য বাদাম আগে ভেজে নিন। তারপর রান্নায় ব্যবহার করুন। দেখবেন খাবারের স্বাদ বেড়ে গেছে। এমন কিছু মজার মজার কৌশল নিয়ে আজকের এই ফিচার।
১. ঘরে আইসক্রিম তৈরি করতে অনেকে পছন্দ করেন। বানানা আইসক্রিম তৈরির আগে কলার খোসা ছাড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন। তারপর চটকে অন্য ফলের সাথে মিশিয়ে নিন। এতে আইসক্রিম নরম এবং ক্রিমি হবে।
২. সিদ্ধ ডিম খোসা ছড়ানো বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ডিম সিদ্ধ করার সময় অল্পকিছু লবণ দিয়ে দিন। সিদ্ধ হয়ে গেলে একটি চামচ দিয়ে আস্তে আস্তে ডিমটি ভাঙ্গুন এবং খোসা ছড়িয়ে ফেলুন। এছাড়া ডিম সিদ্ধ করার সময় এক টেবিলচামচ বেকিং সোডা দিয়ে দিতে পারেন পানিতে। দেখবেন ডিমের খোসা খুব সহজে ছড়ানো গেছে।
৩. কেক, পনির কিংবা নরম যেকোনো খাবার ছুরি দিয়ে কাটা হলে, এর আকৃতি নষ্ট হয়ে যায়। ছুরির পরিবর্তে আপনি সুতা কিংবা ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন। কেক ভেঙে না গিয়ে নিখুঁত ভাবে কাটা হয়ে যাবে।
৪. অনেকসময় কোক, পেপসির বোতল ফ্রিজে রেখে দিলেও ঠাণ্ডা হতে সময় নেয়। এক টুকরো ভেজা তোয়ালে দিয়ে বোতলটি পেঁচিয়ে ফ্রিজে রাখুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে কোকের বোতল ঠান্ডা হয়ে গেছে।
৫. ডিম থেকে কুসুম পৃথক আলাদা করতে হিমশিম খেতে হয়। একটি পাত্রে ডিম ভেঙে রাখুন। এরপর খালি বোতল চাপ দিয়ে ধরে কুসুমের ওপর রেখে চাপ সরিয়ে নিন। ব্যস দেখবেন ডিমের সাদা অংশ এবং কুসুম আলাদা হয়ে গেছে।
৬. কেক তৈরি করতে গিয়ে ডিমের পরিমাণ কম হয়ে গেলে এতে কর্ণ ফ্লাওয়ার দিয়ে দিন। দেখবেন ডিমের ঘাটতি পূর্ণ হয়ে গেছে।
৭. টমেটো কুচির পরিবর্তে টমেটো সস বা টমেটো পেস্ট ব্যবহার করুন। স্বাদও বেড়ে যাবে সাথে সময়ও বাঁচবে।
