Close Menu
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সর্বশেষ আপডেট »
    • যুদ্ধের মধ্যেই যেভাবে চাঙা হয়ে উঠছে ইরানের অর্থনীতি
    • বুঝবেন কীভাবে সে আপনার প্রেমে মশগুল? মিলিয়ে নিন ৬টি লক্ষণ
    • টাকা জমিয়ে আপনি কোনোদিন ধনী হতে পারবেন না, তাহলে কৌশল কী?
    • এই গরমে তরমুজে ত্বক তাজা রাখবেন যেভাবে : রূপবিশেষজ্ঞের পরামর্শ
    • দৌড়ে মানুষের রেকর্ড ভাঙল চীনা রোবট!
    • বিবাহবার্ষিকীতে ঐশ্বরিয়ার বিয়ের শাড়ি নিয়ে আলোচনা : কত ছিল সেই শাড়ির দাম?
    • সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ মনোনীত প্রার্থীর নাম জানালো বিএনপি
    • স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া ও অশান্তি এড়ানোর উপায়
    Facebook X (Twitter) LinkedIn Pinterest RSS
    Leading Bangla News Portal | BartaBangla.com
    • প্রচ্ছদ
    • বাংলাদেশ
    • বিশ্বজুড়ে
    • অর্থনীতি
    • খেলা
    • জীবনধারা
    • টিপ্স-ট্রিক্স
    • বিনোদন
    • স্বাস্থ্য
    • প্রযুক্তি
    • প্রবাসকথা
    • অন্যান্য
      • বিদেশে উচ্চশিক্ষা
      • চাকরির খবর
      • ভিসাতথ্য
      • মজার খবর
      • ধর্ম
      • রেসিপি
    Leading Bangla News Portal | BartaBangla.com
    Home » অভাবকে খুব কাছ থেকে দেখেছি
    বিবিধ February 2, 2019

    অভাবকে খুব কাছ থেকে দেখেছি

    বিবিধ February 2, 20198 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Follow Us
    Facebook Google News
    লিজা
    লিজা
    বার্তাবাংলা ডেস্ক »

    রওশনা জাহান লিজা ৩৭তম বিসিএস প্রশাসনে সুপারিশপ্রাপ্ত। তার মেধাক্রম ৫৭। নিজের পরিশ্রম ও ইচ্ছাশক্তির ফলে এতদূর এসেছেন। যেতে চান বহুদূর। তার এ অগ্রযাত্রার গল্প শুনিয়েছেন । তার সঙ্গে কথা বলেছেন সহ সম্পাদক ফিরদৌসি যুথী–

    রওশনা জাহান লিজা: আমি মো. আবুল কাশেম ও মোছা. ছালেহা বেগমের দ্বিতীয় এবং ছোট সন্তান। আমার বাবা হোমিও ডাক্তার, মা গৃহিনী। বড় ভাই রহমতুল্লাহ্ আল-আমিন বাংলাদেশ রেলওয়েতে কর্মরত। আমার ছেলেবেলা, স্কুল ও কলেজ জীবন কেটেছে মাথাভাঙা তীরবর্তী চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের পলাশ পাড়ায়। বাবা নৌবাহিনীতে চাকরি করতেন। কিন্তু তার খামখেয়ালিপনা ও শৌখিনতার কারণে চাকরিটা নিয়মিত করতে পারেননি। পরবর্তীতে রেলওয়ে স্টেশন মাস্টারের চাকরিতেও যোগদান না করে হোমিওপ্যাথি চর্চা ও বই পড়ায় মনোনিবেশ করেন। যে কারণে ছোটবেলা থেকেই অভাব-অনটনে দিনাতিপাত করতে হয়েছে। তবে বাবার এ খামখেয়ালিপনা আমাকে কঠোর পরিশ্রমী, আত্মপ্রত্যয়ী, চ্যালেঞ্জ গ্রহণসহ তা মোকাবেলা করা শিখিয়েছে।

    বাবাই আমার সব সংগ্রামে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন এবং আছেন। আমার মা কখনো নিজের সুখ ও শৌখিনতার দিকে না তাকিয়ে আমাদের দু’ভাইবোনকে মানুষ করার পেছনে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তবে বাবার কাছ থেকে পেয়েছি উচ্চশিক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত হওয়ার প্রেরণা। আমার এখনও মনে পড়ে- আমাদের দুঃখের সময় বাবা আমাকে বলতেন, ‘Prosperity and adversity comes by turn’. যেটা আমার জীবনে অক্ষরে অক্ষরে সত্যি হয়েছে। আরও মনে পড়ে- বাবার সাথে ছেলেবেলায় কাটানো দিনগুলো। বাবার হাত ধরে মাথাভাঙা নদীতে সাঁতার কাটতে যেতাম। বাবার কাছেই সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছি। এ সময় পর্যন্ত কোন প্রাইভেট টিউটরের কাছে যাইনি। বাবাকে বড্ড ভয়ও পেতাম। একটা ভয়ের ঘটনা বলি- স্কুলে পড়াকালীন বাবা আমার বার্ষিক পরীক্ষার প্রত্যেকটি পরীক্ষার প্রশ্ন মুখে মুখে ধরতেন। তাই আমি পরীক্ষায় যে প্রশ্নটি না পারতাম; সেটা পরীক্ষা শেষে স্কুলে পড়ে নিয়ে বাড়ি আসতাম।

    রওশনা জাহান লিজা: প্রথমেই বলেছি- অভাবকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। অভাবের কারণে বাড়ির পাশের কিন্ডারগার্টেন স্কুল থাকলেও পড়তে হয়েছে দূরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। আমি যখন ঝিনুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ি; তখন খাতা কেনার অভাবে মা আমাকে ক্যালেন্ডার দিয়ে খাতা বানিয়ে দিতেন। আমি তার পেছনের পাতায় লিখতাম। এমনকি পরিচিতজন ও আত্মীয়ের পুরনো বই পড়ে স্কুল জীবন শেষ করেছি। অষ্টম শ্রেণিতে অর্ধবেতনে ইংরেজি ও গণিত পড়ার সুযোগ পাই শ্রদ্ধেয় শিক্ষক প্রয়াত ফারুক আহমেদ ও শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ স্যারের কাছে। এজন্য আমি স্যারদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। এ সময় থেকে আমার নিজেরও টিউশন জীবনের হাতেখড়ি, যা আমাকে স্কুল ও কলেজ জীবন শেষ করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

    জীবনে প্রথম সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি নবম শ্রেণিতে ওঠার সময়। বাবা ও শিক্ষকরা চেয়েছিলেন আমি যেন বিজ্ঞানে পড়ালেখা করি। কিন্তু আমার একমনে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অন্যমন আমাকে স্মরণ করিয়ে দেয় অর্থনৈতিক চিন্তার কথা। বিজ্ঞানে বেশি প্রাইভেট পড়তে হবে বলে আমি মানবিকে ভর্তি হই। আর তখনই আমি সিদ্ধান্ত নেই- মানবিক থেকে জীবনে ভালো কিছু করবো এবং স্বপ্ন দেখি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে পড়ার। পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৬ সালে মানবিক বিভাগে আমার নিজ স্কুল এবং জেলা সদর থেকে আমিই প্রথম জিপিএ ৫ পেয়ে পত্রিকায় নাম উঠাতে সক্ষম হয়েছিলাম।

    এরপর আমাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আমি বোর্ড বৃত্তি, জেলা পরিষদ বৃত্তি, জেলা প্রশাসকের অনুদান এবং আত্মীয়-স্বজনের সহায়তায় ২০০৮ সালে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করি। কিন্তু বিপত্তি ঘটে তখন; যখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির উদ্দেশে ঢাকা শহরে কোচিংয়ের জন্য আসি। ঢাকায় কোচিংয়ে ভর্তি করানোর জন্য পরিবারের অর্থনৈতিক সামর্থ ছিল না। কিন্তু জেদ ধরাতে বাবা জমি বন্ধক রেখে টাকা দেন কোচিংয়ে ভর্তি হতে। এরপর ঢাকা শহরে প্রথম আসাতে এখানকার আবহাওয়া মানিয়ে নিতে না পারায় টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হই। বাড়িতে ফিরে যখন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছিলাম; তখন আমার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। আমি জিপিএ ৪.৯০ পেয়ে চরমভাবে ভেঙে পড়ি। ফলাফল কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না। তবে এ ভাঙামন আমাকে নতুনভাবে তাড়না দেয় এবং মনে দৃঢ়তা এনে দেয়। আমি তিনদিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরি, তখন কেবল কোন রকম দাঁড়াতে পারি। পরদিনই ঢাকা ফিরে আসি। আমার শিক্ষা জীবনে রোদ, ঝড়, বৃষ্টি, অসুস্থতা কখনও আমার উপস্থিতিকে দমাতে পারেনি। এরপর আমি প্রথমবারেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাই।

    আপনার সংগ্রামের গল্প শুনে অনুপ্রাণিত হচ্ছি। আপনার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। কিন্তু এরপর কেমন কেটেছে উচ্চশিক্ষার সময়গুলো?

    রওশনা জাহান লিজা: বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় থেকেই কঠিনতম সংগ্রামে প্রবেশ করি। ভর্তির পর হলের বাইরে থেকে লেখাপড়া নিয়মিত করা বেশ কঠিন ছিল। তবে এ যাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় ও এলাকার বড় ভাই সোহাগ ভাইয়ের সাহায্যে শুরুতেই রোকেয়া হলে উঠি। কিন্তু প্রথম বর্ষে কোন টিউশন না পাওয়ায় গ্রামীণ ব্যাংকের শিক্ষা ঋণের শরণাপন্ন হই। এখনও আমার ৫০ হাজার টাকা শিক্ষা ঋণ অপরিশোধিত রয়েছে। যা এখন আমার পরিবার পরিশোধ করতে সক্ষম। কিন্তু আমার একান্ত ইচ্ছা আমি চাকরি জীবন শুরু করে নিজে এটা পরিশোধ করবো। এজন্য আমি গ্রামীণ ব্যাংকের কাছে চিরকৃতজ্ঞ।

    কিছুদিনের মধ্যেই একটি টিউশনের ব্যবস্থা হয় মালিবাগে। একটা টিউশনে বই কেনা, লেখাপড়া, খাওয়া খরচসহ অন্যান্য খরচ চালানো কষ্টকর ছিল। এজন্য আমি পায়ে হেঁটে রোকেয়া হল থেকে মালিবাগ আসা-যাওয়া করতাম। তবে এ কষ্ট আমার তেমন কষ্টকর মনে হতো না। কষ্ট হয়েছিল তখন; যখন নভেম্বর-ডিসেম্বরে বাচ্চাদের পরীক্ষা শেষ হলে টিউশন বন্ধ থাকতো। কষ্টের কথা বলি- একবার বছর শেষে টিউশন না থাকায় শীতের ছুটিতে বাড়ি যাই। কিন্তু ছুটি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরতে পারছিলাম না। ছিল না বাস ভাড়ার টাকা। তখন টিউশন মিডিয়ার বাবু ভাইয়ের কাছে ফোন করে খুব কেঁদেছিলাম। তিনি তখন ২টি টিউশনের ব্যবস্থা করে দেন। এরপর থেকে আমার আর কখনো টিউশনির অভাব হয়নি। আমি একজন মেয়ে হয়ে ঢাকার বুকে দুপুর ২টা থেকে একটানা রাত ৮টা পর্যন্ত মিরপুর, মালিবাগ, মগবাজার, জাহাঙ্গীর গেট টিউশনি করেছি। অন্যদেরকেও টিউশন দিয়ে সাহায্য করেছি। এ ব্যস্ততার ফাঁকে সময় পেলে রোকেয়া হল রেঞ্জার ইউনিটে ও পথশিশুদের নিয়ে কাজ করতাম। কিছু কথা বলতেই হয়- আমার স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কিছু বন্ধু ছিলো, যারা সবসময় আমার বিপদে পাশে থেকেছে। নিজেকে অনেক ভাগ্যবতী মনে করি। আমার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধুদের কাছ থেকে সামাজিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হইনি। তারা আমাকে সেই পরিবেশ দিয়েছে; যেখানে ছেলে-মেয়ে কোন ভেদাভেদ ছিল না।

    রওশনা জাহান লিজা: জীবনের সাথে সংগ্রাম করতে করতে সিদ্ধান্ত নিলাম কারো ওপর নির্ভরশীল হওয়ার। জীবনের বাকি স্বপ্নগুলো একসঙ্গে পূরণ করার। সুন্দর মনের একজনকে পেয়েও গেলাম। নিজের ইচ্ছা ও পরিবারের সম্মতিতে আমরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলাম। এরপর এমএ ভর্তির পর আমার শরীরে নতুন প্রাণের অস্তিত্ব টের পেলাম। তারপর অর্থনৈতিক সংগ্রামকে পেছনে ফেলে শুরু হলো নতুন সংগ্রাম। আমার তখন একমাত্র লক্ষ্য- যেভাবেই হোক এমএ শেষ করবো এবং একটি সুস্থ বাচ্চার জন্ম দেবো। কিন্তু বিপত্তি ঘটলো তখনই; যখন শুনলাম আমার ফাইনাল পরীক্ষার তারিখ ও ডেলিভারির তারিখ একই সময়ে। তখন আমি ভাবতাম, মিরপুর ১৪ থেকে বাসে নিয়মিত ৬-৮ ঘণ্টা ক্লাস করার কথা। মনে হতো এত কষ্ট করে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরও কি আমি পরীক্ষার হলে বসতে পারবো না! এত এত উদ্বিগ্নতায় আমার প্রেগন্যান্সির শেষ দিকে আমার হিমোগ্লোবিন নেমে আসে ৬.৫ এ। এটা ডেলিভারি ডেটের ঠিক ১৫ দিন আগে। মিরপুরে যেখানে ডাক্তার দেখাতাম, তারা রিস্ক নিতে রাজি হলেন না। পরামর্শ দিলেন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা করানোর জন্য।

    ইতোমধ্যে ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। আমি পরীক্ষা দিচ্ছি আর ধানমন্ডিতে ডিএমসির কনসালটেন্টের পরামর্শে প্রতিটি পরীক্ষার শেষে হাসপাতাল থেকে হয় ব্লাড নতুবা হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর ইঞ্জেকশন নিয়ে বাসায় ফিরতাম রাত ৯-১০টার সময়। ব্লাড নেওয়ার মধ্যে চরমভাবে অসুস্থও হই। যা হোক, আমি আমার ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞ। তারা আমাকে পরীক্ষার হলের পেছন দিকে বসার ব্যবস্থা করেছিলেন। সেখানে আমি কখনও বসে, কখনও দাঁড়িয়ে, কখনও বা হেঁটে পরীক্ষা শেষ করেছি। শেষ পরীক্ষার দিন বিশেষ অনুমতিক্রমে ভাইভা দিয়ে এমএ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করেছি। আল্লাহর অশেষ রহমতে ভাইভার পরদিন সি সেকশনে আমার একটি মেয়ে হলো।

    এরপর শুরু হয় স্বপ্নকে ছোঁয়ার লড়াই। যখন প্রথম ৩৫তম বিসিএস পাই, তখন মেয়ের বয়স মাত্র ৪ মাস। আবেদন করেও প্রস্তুতি না থাকায় পরীক্ষা দেইনি। ৩৬তম বিসিএসের সময়ও মেয়েকে সময় দিতে গিয়ে পড়ার সুযোগ মেলেনি। যথারীতি এটাও মিস করলাম। অবশেষে স্বামী মো. নজরুল ইসলামের অনুপ্রেরণা, পরামর্শ ও সহযোগিতায় আমার মা-বাবাকে নিজের কাছে নিয়ে আসলাম। এ সময়ে প্রাইভেট চাকরিতে যোগদানের সুযোগ ছিল। কিন্তু স্বামী আমাকে বলেছেন, ‘এ চাকরি করার দরকার নেই। আগে ভালো কিছুর চেষ্টা করো। তারপর না হলে করবে।’

    এরপর শুরু হলো ৩৭তম বিসিএস প্রস্তুতি। এমনভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছিলাম যে, সুযোগ পেয়েছি একটাই। সুতরাং কোন ত্রুটি রাখা যাবে না। দিন-রাত পড়াশোনা করতাম। মেয়েকে মায়ের কাছে নিশ্চিন্তে রেখে সকাল ১১টায় কোচিংয়ের লাইব্রেরিতে চলে যেতাম। ফিরতাম রাত ৯টায়। এরপরের সময়টুকু মেয়ের জন্য বরাদ্দ রেখে আবার রাত ১২টা থেকে ৩-৪টা পর্যন্ত পড়তাম। একটানা এত পড়া জীবনে কখনো পড়িনি। বলা যায়, লেখাপড়ার প্রতি একপ্রকার আসক্ত হয়ে গিয়েছিলাম। এমন সময় পার করছিলাম যে, স্বামীর সাথে একই বাসায় থেকেও সপ্তাহে দু’একদিন দেখা হতো শুধু সময়ের অভাবে।

    মাঝে মাঝে খুব হতাশ লাগতো এই ভেবে যে, কী জীবন পার করছি! তখন স্বামী বোঝাতো, ‘আর কিছুদিন কষ্ট করো। এরপর তো শুধু তুমি আর আমি আর আমাদের বাস্তবায়িত স্বপ্ন।’ এ সময়ে মায়ের সহায়তার কথা কী-ই বা বলবো! মা ছাড়া আমার সব অর্জন নস্যি। অবশেষে স্রষ্টার অশেষ কৃপায় প্রথম প্রস্তুতিতেই প্রথম চাকরির প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং ভাইভা উত্তীর্ণ হয়ে ৩৭তম বিসিএস এ প্রশাসনে ৫৭তম অবস্থান নিয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।

    রওশনা জাহান লিজা: ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম, সাহস, প্রচেষ্টা আর একাগ্রতা যে কোন বাধাকে দূরে ঠেলে দেয় এবং সফলতার দিকে ধাবিত করে। ছোট ছোট সফলতাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিলে আরও অনেক বড় সফলতা পাওয়া যায়। ব্যর্থতাকে শক্তি হিসেবে নিলে নতুনভাবে সফল হওয়া যায়। ইচ্ছাশক্তি, স্রষ্টার অনুগ্রহ এবং চেষ্টায় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে সফলতা সহজে ধরা দেয়। পৃথিবী অনেক প্রতিযোগিতাপূর্ণ, সে নিজে থেকে কাউকে জায়গা দেয় না, চেষ্টা ও পরিশ্রম দ্বারা নিজের জায়গা করে নিতে হয়। আর আমার পরবর্তী ইচ্ছা এই যে, আমি সেই সব ছেলে-মেয়েদের জন্য কিছু করতে চাই। যাদের প্রবল ইচ্ছা ও চেষ্টা থাকা সত্ত্বেও সামাজিক, অর্থনৈতিক ও অন্যান্য বাধার কারণে পিছিয়ে পড়ে থাকে। তাছাড়া পরিবার, দেশমাতৃকা আমাকে যে অকৃপণ দানে ঋণী করেছে। নিজের জীবন উৎসর্গ করে হলেও তাদের কিছুটা ঋণ শোধ করতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমি যেন আগের সফলতার ন্যায় তা সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারি।

    Advertisement for African All Media List
    অভাবকে খুব কাছ
    Follow on Google News Follow on Facebook
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link
    আগের কন্টেন্ট উবারে যুক্ত হয়েছে বাস সার্ভিস
    পরের কন্টেন্ট নাজমার আহ্বানে ‘বিশ্ব হিজাব দিবস’ পালিত

    এ সম্পর্কিত আরও কন্টেন্ট »

    বিবিধ

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

    বিবিধ

    ফিনল্যান্ড স্টুডেন্ট ভিসা : এ-টু-জেড গাইড

    বিদেশে উচ্চশিক্ষা

    নিউজিল্যান্ড স্টুডেন্ট ভিসা : দ্রুত পাওয়ার সহজ ধাপসমূহ

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের মানুষ কেন খাটো হয়? উন্মোচন হলো আসল রহস্য!

    বিবিধ

    মেন্সট্রুয়াল হেলথ: নারীদের জন্য জরুরি টিপস

    বিবিধ

    ২০২৫ সালের সেরা আবিষ্কারগুলো কী এবং কয়টি?

    মন্তব্য যুক্ত করুন
    মন্তব্য করতে সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করুন! উত্তরটি বাতিল করুন

    • মজার খবর
    • সর্বাধিক পঠিত
    • আলোচিত খবর
    April 21, 2026

    দৌড়ে মানুষের রেকর্ড ভাঙল চীনা রোবট!

    April 19, 2026

    মানুষ কেন মারামারি দেখতে পছন্দ করে

    February 17, 2026

    আপনি আপনার নানির গর্ভেও ছিলেন, জানেন কি?

    October 25, 2025

    চুমু খেলে কমবে মেদ-ওজন!

    September 22, 2025

    বিমানের ভেতরে ইঁদুর, ফ্লাইট উড্ডয়নে বিলম্ব

    September 17, 2025

    মানুষ কেন বহু জনের প্রতি আকষর্ণ বোধ করে

    September 2, 2025

    ব্রিটেনের অবিবাহিত পুরুষরা ৪ মাসে একবার বিছানার চাদর পাল্টান

    August 31, 2025

    জাপানি চায়ে বিশ্ব মাতোয়ারা

    August 26, 2025

    বিড়াল দত্তকে মিলবে ফ্ল্যাট ও টাকা

    August 18, 2025

    নেদারল্যান্ডসের অভিবাসন জাদুঘর

    April 20, 2025

    সহজে ভিসা পাওয়া যায় এমন ইউরোপীয় দেশসমূহ

    February 24, 2026

    নিউজিল্যান্ড স্টুডেন্ট ভিসা : দ্রুত পাওয়ার সহজ ধাপসমূহ

    April 27, 2025

    আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সহজ উপায়

    February 9, 2013

    আসছে ফেসবুক ফোন

    February 23, 2019

    বাংলা উইকিপিডিয়া সমৃদ্ধ করার আহ্বান

    March 9, 2017

    ব্রণের হাত থেকে বাঁচতে যা করবেন

    February 26, 2017

    জেনে নিন কাপড় থেকে দাগ তোলার সহজ উপায়

    June 30, 2019

    চীনের কাছে হেরে গেল যুক্তরাষ্ট্র, হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

    April 8, 2019

    একটি মারাত্মক ভূল কাজ !! এক কম্বলের নিচে দুই ভাই, দুই বোন অথবা দুই বন্ধু ঘুমানো !!

    May 5, 2016

    গরমে রঙিন আরামের পোশাক

    February 11, 2026

    চলতি বছর কোন দেশে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ?

    October 31, 2025

    ওমরাহ ভিসা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, আসছে বড় পরিবর্তন

    October 30, 2025

    জার্মানির ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা

    October 30, 2025

    মাল্টায় গোল্ডেন ভিসার সুযোগ

    October 27, 2025

    এইচ-১বি ভিসা স্পন্সরশিপ বন্ধ করল আমেরিকার ৪ বড় কোম্পানি

    October 26, 2025

    গ্রিন কার্ড প্রত্যাশী ব্যবসায়ীদের জন্য দারুণ সংবাদ দিল আমেরিকা

    October 23, 2025

    এক প্রশ্নেই ভিসা বাতিল শিক্ষার্থীর, এফ-১ ভিসা নিয়ে নতুন বিতর্ক

    October 19, 2025

    ভিসা বাতিল হতে পারে ৯টি সাধারণ ভুল

    October 18, 2025

    ভিসা সংকটে বাংলাদেশিরা

    October 8, 2025

    ‘ভারতীয়দের জন্য ভিসা নীতি শিথিল হবে না’

    সর্বশেষ...
    April 30, 2026

    যুদ্ধের মধ্যেই যেভাবে চাঙা হয়ে উঠছে ইরানের অর্থনীতি

    April 28, 2026

    বুঝবেন কীভাবে সে আপনার প্রেমে মশগুল? মিলিয়ে নিন ৬টি লক্ষণ

    April 27, 2026

    টাকা জমিয়ে আপনি কোনোদিন ধনী হতে পারবেন না, তাহলে কৌশল কী?

    April 24, 2026

    এই গরমে তরমুজে ত্বক তাজা রাখবেন যেভাবে : রূপবিশেষজ্ঞের পরামর্শ

    জনপ্রিয় টপিকসমূহ
    অর্থনীতি খেলা চাকরির খবর জীবনধারা টিপ্স-ট্রিক্স ধর্ম প্রবাসকথা প্রযুক্তি বাংলাদেশ বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিনোদন বিবিধ বিশ্বজুড়ে ভিসাতথ্য মজার খবর মতামত রূপচর্চা রেসিপি সাহিত্য স্বাস্থ্য
    দৈনিক আর্কাইভ
    May 2026
    S S M T W T F
     1
    2345678
    9101112131415
    16171819202122
    23242526272829
    3031  
    « Apr    
    Copyright © 2011-2026 BartaBangla. Powered by DigBazar.
    • Home
    • About Us
    • Contact us
    • Our Team
    • Impressum
    • Sitemap
    • Download Apps

    কোনও কিছু অনুসন্ধান করার জন্য উপরে কিছু লিখে এন্টার চাপুন...

    আপনার ব্রাউজারে অ্যাড-ব্লকার সক্রিয়!
    আপনার ব্রাউজারে অ্যাড-ব্লকার সক্রিয়!
    আমাদের ওয়েবসাইটটি বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই অনুগ্রহ করে আপনার অ্যাড-ব্লকার নিষ্ক্রিয় করে আমাদেরকে সহযোগিতা করুন...