Close Menu
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সর্বশেষ আপডেট »
    • সুযোগ পেলেই জীবনসঙ্গীকে যে ৩০টি বাক্য বলবেন
    • নজরুলের বই প্রকাশ : আনন্দ ও বেদনার এক মহাকাব্যিক উপাখ্যান
    • কুয়েতকে ২৪০ টন খাদ্য সহায়তা দিলো বাংলাদেশ
    • শিশুদের ওপর বর্বরতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে : ইউনিসেফ
    • বাংলাদেশে বাড়ছে রোহিঙ্গার সংখ্যা, কমছে মানবিক সহায়তার বাজেট
    • ভারতে ফুসফুসের ক্যানসার চিকিৎসায় যুগান্তকারী ইমিউনোথেরাপি
    • তীব্র গরমে ডায়াবেটিক রোগীর জীবনযাপন : সুস্থ থাকার সহজ গাইডলাইন
    • গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না : উচ্চ আদালত
    Facebook X (Twitter) LinkedIn Pinterest RSS
    Leading Bangla News Portal | BartaBangla.com
    • প্রচ্ছদ
    • বাংলাদেশ
    • বিশ্বজুড়ে
    • অর্থনীতি
    • খেলা
    • জীবনধারা
    • টিপ্স-ট্রিক্স
    • বিনোদন
    • স্বাস্থ্য
    • প্রযুক্তি
    • প্রবাসকথা
    • অন্যান্য
      • বিদেশে উচ্চশিক্ষা
      • চাকরির খবর
      • ভিসাতথ্য
      • মজার খবর
      • ধর্ম
      • রেসিপি
    Leading Bangla News Portal | BartaBangla.com
    Home » নাজমীন মর্তুজা’র “গুরুপরম্পরা” পাঠ-পরবর্তী বয়ান
    সাহিত্য May 28, 2020

    নাজমীন মর্তুজা’র “গুরুপরম্পরা” পাঠ-পরবর্তী বয়ান

    সাহিত্য May 28, 20207 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Follow Us
    Facebook Google News
    বার্তাবাংলা ডেস্ক »

    একজন কবির দু-চারটে কবিতা পাঠ করলেই কবি সম্বন্ধে বোঝা যায়না। কবিকে বুঝতে হলে কবির একটা কাব্য গ্রন্থ পুরোটা পাঠ করতে হয় গভীর মনোযোগ সহকারে।

    এবারের বইমেলায় যাঁদের সঙ্গে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে, বই উপহার পেয়েছি, কবি নাজমীন মর্তুজা তাঁদের একজন। আমি পাঠ শেষে চেষ্টা করছি বই নিয়ে কথা বলতে।

    কবি নাজমীন মর্তুজার ‘গুরুপরম্পরা’ কাব্যগ্রন্থ প্রথম প্রকাশিত হয়েছে ২০১০ সালে। সে অর্থে দশবছর পর আমার কাছে পৌঁছেছে।

    কিছু বিষয়ে নজর :

    এদেশে প্রচলিত সূফীতত্ত্ব, বৈষ্ণবতত্ত্ব,বাউলতত্ত্ব সহ ইত্যাকার সব তত্ত্বেই গুরুপরম্পরার কথা এসেছে। এদেশের মানুষের শিক্ষাপদ্ধতির মূলরূপ যেমন গুরুমুখী, তেমনি জীবন সাধনা আধ্যাত্ম জ্ঞান এমনকি ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গেও গুরুপরম্পরার ভাবাদর্শ যুক্ত আছে। এদেশের মানুষের পূর্ণাঙ্গ জীবনকাঠামোতে তিন ধরণের গুরু চরিত্র খুঁজে পাওয়া যায়। এক, শিক্ষা গুরু, দুই, দীক্ষা গুরু, তিন, ভাবের গুরু। এই তিন ধরনের গুরুর আশ্রয় ব্যতিরেকে মনুষ্য জীবনের অর্থ বোঝা দায়। গুরুবাদী চর্চায় সাধিকা ও সাধনসঙ্গিনীর কথা উল্লেখিত হয়। আধুনিক কবিতায় এর প্রকাশ খুব জমজমাট ভাবে দেখা না গেলেও নাজমীন মর্তুজার কাব্য গ্রন্থ পাঠ করে বুঝলাম, তিনি এই গুরু বন্দনার দুয়ার খুলেছেন। অন্তর্গত গুরু বন্দনায় তিনি মেতে উঠেছেন কবিতা থেকে কবিতায়। এই নিয়ে আমরা আরো সামনের দিকে অগ্রসর হবো।

    গুরুপরম্পরা প্রাসাদে ঢুকছি আমরা :

    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রসঙ্গে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, “মধুসূদন, হেমচন্দ্র, নবীনচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, ইহারা সকলেই এ কবিত্বে তাঁহার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। প্রাচীনেরাও তাঁহার অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। ভারতচন্দ্রের ন্যায় হীরামালিনী গড়িবার তাঁহার ক্ষমতা ছিলনা; কাশীরামের মতো সুভদ্রাহরণ কি শ্রীবৎস চিন্তা, কীর্তিবাসের মতো তরণীসেন বধ, মুকুন্দরামের মতো ফুল্লরা গড়িতে পারিতেন না। বৈষ্ণব কবিদের মতো বীণায় ঝন্কার দিতে জানিতেন না।”( শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ, প্রথম খন্ড, বন্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, পৃষ্ঠা ৩৫)। আমি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বিষয়ে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই উদ্ধৃতি দিলাম শেষের লাইনটা বলার জন্য। বৈষ্ণব কবিদের বীণায় ঝন্কার উঠতো। এই বাক্যটি সঙ্গে নিয়ে আমরা নাজমীন মর্তুজার গুরুপরম্পরা প্রাসাদে এসেছি। তাঁর কবিতার পাতায় পাতায় পরিচ্ছন্ন, সুশৃঙ্খল,ভঙিপ্রধান ও ভক্তিরস ছড়িয়ে আছে। ভক্তির এমন সুন্দর প্রেমবোধ আমাদেরকে করেছে কল্লোলিত ও প্রোজ্জ্বল। আমরা তিনটি কবিতার কিছু অংশ লক্ষ্য করিঃ

    ১. গুরু, তোমার আমার সৃষ্টির বয়ানকার্য চলছে-অতিসুচারু রূপে-জীবনের স্বাদ নিতে নিতে। এই যে তুমি আমি, আমি-তুমি মিলে আমরা পরস্পরকে আঁকড়ে ধরে ঢুকে পড়ছি ইহজাগতিক সবুজ বনের পথে।

    গুরু, কখনো আছো প্রেরণায়- কখনও দিনযাপনের সঙ্গী হয়ে। নিষ্ঠুর এই ভাঙা সময়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে -স্বপ্ন দেখাও সাদাকালো জীবনের,তোমাকে একান্তে পেয়ে রক্তিম আভায় জ্বলে উঠলো মরুময় হৃদয় সাহারা, প্রাণ পেলো ভাস্কর্য আর মাতৃজঠরে শিশু। (বয়নকার্য, পৃষ্ঠা ১১)

    ২. কুসুমের সুবাসে শুয়ে আছো গুরু-জাগতিক অস্তিত্বের অন্তরালে। আজ যেনো কোনো পৌরাণিক দেরতা এসে আলিঙ্গন করলেন দেবীকে।তাই বুঝি দুহাতে শিশির ছড়িয়ে হেঁটে আসছে সুখগুলো- একপ্রান্ত থেকে মধ্যবিন্দুর দিকে- চেতনার গভীরে। আমি রোজ রূপকথার নারীর মতো কেশগুচ্ছে জোনাকিফুল গুঁজে শরীরে মাটি আর ঘাসের গন্ধ মেখে গুরুর আগমনে অভিবাদন জানাই এবং সারা শরীর জুড়ে উপভোগ করি ভয়ন্কর – ভালোলাগা ভয়াল- সুন্দর অনুভূতি। (গুরুসঙ্গ, পৃষ্ঠা ২৪)

    ৩. কতো মণি পাঠিয়েছো গুরু/ আমার নিচু গ্রামদেশে/ পূর্ণ করেছো ফসলের বনোভূমি / এতোদিন যে হ্রদে জেগেছে কেবল পাথর/ তোমারি ছোঁয়ায় আজ/উত্থিত হলো পানি/ আমি নতুন করে তোমার নাম দিলাম কল্লোল/আমি হলাম স্রোতস্বিনী / আমার ক্ষীর সাগর এবার ভরবে তোমার নোনা জলে/ দিকে দিকে নব উদ্যমে জন্ম নিবে প্রাণ/ সরল বিশ্বাসে আমি বুনে দেবো জ্ঞানবৃক্ষ/ নিজস্ব নিয়মে/ ফুটবে ফুল/ সবুজ তারার মতো সহজ উজ্জ্বল / গুরু তোমার দানে/ বেঁচে থাকবে আজীবন সন্ন্যাসী পানকৌড়ি / একফোঁটা সাগর কুসুমের জলে (জ্ঞান, পৃষ্ঠা ২৭)

    সরল ভাষাতেই ঐশ্বর্যে দ্যুতিময় ও ইন্দিয়বিলাসে ভরপুর কবিতাগুলো। যা প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর এক আনন্দময় উপস্থিতি। কবিতাগুলোর বিবরণ সুক্ষ্ম ও সামঞ্জস্যপূর্ণ সরল কিন্তু মার্জিত। কবিতায় আতিশয্য নেই, লম্বা যৌগিক শব্দ, অলংকার বাহুল্য আর কৃত্রিম শ্লেষ থেকেও মুক্ত। যে কারণে পড়ার সময় একটা অদ্ভুত অনুভূতি কাজ করে। কথোপকথনের ক্লাসিক মুহূর্ত মনে হয় নিজের সামনেই ঘটছে। সূফীবাদের দিকে আমাদের টেনে নিয়ে যায় নাজমীন মর্তুজার কবিতা। সৃষ্টি রহস্যের গণ্ডি টপকাতে তিনি শব্দ দিয়ে নির্মাণ করেছেন কবিতা। তিন নং উদাহরণে কবি কথা বলছেন, সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে। প্রচলিত ও বাস্তবতার মধ্যে কল্পনাপ্রতিভার সর্বোত্তম ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে সর্বজনীন ও চিরকালীন অনুভবের প্রকাশ ঘটিয়েছেন কবিতায়।

    গুরুপরম্পরা কাব্য গ্রন্থে আধ্যাত্মিকতায় যে আশ্রয়ে কবি নিজেকে সমর্পণ করেছেন, তা সচারাচর আধুনিক কবিতায় দেখা যায়না। একটা ঘোরের মধ্যে দিয়ে ক্রমাগত সামনের দিকে এগিয়ে গেছে তাঁর কবিতাগুলো। সমস্ত দ্বন্দের নিরসন ঘটিয়ে আত্মসমর্পণের জায়গাটা কবি বেছে নিয়েছেন প্রাণের সঙ্গে। নাজমীন মর্তুজার কবিতায় আমরা দেখতে পাই, ফুলের ফুলের ডালা সরিয়ে গুরুদীক্ষায় রণসাজ,যেখানে বিধাতাকে তিনি এনেছেন যেখানে যত অচলায়তন আছে সব ভেঙে ফেলতে।কাব্যের আয়তনকে ভাঙলেন নতুন করে গড়ে তুলতে।এটা একটা দুঃসাহসিক কাজ। নতুন ছন্দের দোলায় নয়, সেই আদিকালের বাংলা কবিতার সাম্পানে চেপে ভাষায় প্রখরতার বর্মে নয়, মাধুর্যের চাদরে জড়িয়ে বিষয়বস্তুতে যুক্ত করলেন গতির আনন্দ। গুরুর কাছে নিবেদনে, আত্মসমর্পণে পরিস্ফুটন করলেন নিজের কবিতার চিত্র। যা আমাদের চিনিয়ে দেয় কবির কবিতার সৌন্দর্যের কেন্দ্রস্থল। আমরা কয়েকটি কবিতা লক্ষ্য করি…

    ১. গুরু আমায় বলল/নমুনা হতে হবে তোমায়/আঁকবো তোমার অঙ্গের প্রতিটি ভাঁজের ভাষা/আমি সানন্দে নমুনা হয়ে গুরুর সামনে বসলাম/গুরু বলল/এভাবে কি আত্মা আঁকা যায়/আঁকতে পেরেছে কি কেউ কখনো/আবৃত্তে থাকা দেহ-মন/খুলে ফেলো বৎস জাগতিক বসন/আমি খুলে ফেললাম/গুরু অপলক দৃষ্টি ফেলে আবিষ্কারের নেশায় মত্ত /হঠাৎ বলল/কি আঁকবো বৎস/আত্মা না দেহের গঠন/বলি গুরু, আত্মা আঁকাই শ্রেয়/না থাকে এখানে পুরুষ কিংবা নারীর দেহ।
    (আত্মার মূর্তি, পৃষ্ঠা ৪৮)

    ২. গুরু বলে দাও/কি রূপে জানিতে পারিব/মানুষের অন্তর্গত জীবন তৃষ্ণা /গাছ প্রজাপতি ঘাসফড়িং জোনাকির সুখ /আমাকে শেখাও গুরু/ জন্মের নিগূঢ় তত্ত্ব /আমি জানতে চাই/লোমকূপের নিচে কি প্রবাহমান / ওই হৃদপিন্ডের ঘড়িটা/গাইছে কিসের গান/আমাকে শেখাও গুরু/ আদিলীলার ভাষা/কিভাবে আনন্দে বসে/ দোল খায় দুটি প্রাণ। (জিজ্ঞাসা, পৃষ্ঠা ৪৯)

    ৩. গুরু বলেছে /আঘাতপ্রাপ্ত ব্যথা থাকেনা দেহমিলনের কালে/শিল্পীর তুলি পূর্ণতা পায় না নগ্নতা না আঁকলে /বহুদিন পরে মানুষেরা জেনেছে/আঘাত বিনা জীবন পোক্ত নয়/স্বপ্ন ভেঙেই জীবনের প্রভাত শুরু হয়। (আঘাত, পৃষ্ঠা ৫৪)।

    নাজমীন মর্তুজার গুরুপরম্পরা কাব্যগ্রন্থে একটা ধারাবাহিকতা আছে। প্রবহমান নদীর স্রোতের মতো, কোথাও স্থির হয়ে নেই দারুণ চলমান। ধ্যানের মধ্যে জ্ঞানের ছত্রচ্ছায়ায় বৃহৎ বিচিত্র বাধাবন্ধনহীন লীলাজগতে নানান আস্বাদনে নিজেকে উপলব্ধি করে তিনি কবিতা লিখেছেন। এই উপলব্ধি এসেছে দর্শন থেকে। যুগে যুগে সকল মহৎ সৃষ্টি হয়েছে কোনো না কোনো উৎস থেকে। অনেক পন্ডিত বিদগ্ধজনেরা এটাকে ধার করাও বলেছেন। যেমন ‘A Key to Modern Poetry’ প্রবন্ধে Lawrence Durrel লিখছেন এভাবে,’ The great Poet always borrows, but he always Pays back with interest ; and his Production is something more than the sum of His borrowing‘…। এই যে দর্শনের চাদরে জড়িয়ে নিজেকে উজাড় করে সৃষ্টি করা এটাই সুদসহ ফেরত। সূফিবাদ নিয়ে নাজমীন মর্তুজা যে প্রচেষ্টা চালিয়েছেন সেখানে তিনিই প্রথম নন। হাজার বছরের বাংলা সাহিত্যের আঙিনায় বহু দর্শন ও মতবাদ নিয়ে কবিরা লিখেছেন। সার্থক তাঁরাই হয়েছেন,যাদের লেখার সময় ডিঙিয়ে মহাকালের রাজপথে মিশে গেছে। আদিম মানব গোষ্ঠী সূর্য পূরাণ(Sun myth) এর ধারা কবিরা যুগে যুগে জ্ঞাতসারে অথবা অজ্ঞাতসারে বহন করে এনেছেন। সূর্য রাতপর অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পরদিন সকালে আবার নবজন্ম লাভ করে। মৃত্যুকে অনিবার্য জেনে আদিম মানব মৃত্যুর মধ্যে আশ্রয় নিয়ে মৃত্যুত্তীর্ন ও পুনরুজ্জীবিত হতে চেয়েছেন।Sun mythগুলি এই চিন্তার প্রতিফলন। সমুদ্রে নৈশযাত্রা(Night journey on the sea) সূর্য পূরাণের একটি প্রধান অঙ্গ। একটা দর্শন এর পুরো বিষয় যখন হৃদয়ে জায়গা করে নেয়,তখন মহৎপ্রাণ হয়ে ওঠে সেই হৃদয়। বিবর্তনের পথেই পরিবর্তন সংঘটিত হয়। কবির দেখার দৃষ্টিতে সেই পরিবর্তনের কবিতা হয়ে ওঠে মহৎ। সৎ কবিতার একটি উদ্দেশ্য হলো চিন্তা ও অনুভবের নতুন পথ সৃষ্টি করা। সেই লক্ষ্যে নাজমীন মর্তুজা গুরুপরম্পরায় নতুন দৃষ্টিতে আদি দর্শন নিয়ে জগৎ ও জীবনকে দেখার জন্য পাঠককে জীবন্তভাষায় যুক্ত করেছেন। এটা বিশিষ্ট কবির স্বভাব। ভাব,দৃষ্টিভঙি ও ভাষার ধ্বনিবৈচিত্র্য নিয়ে তিনি যা সৃষ্টি করেছেন সেটা কাল পেরিয়ে মহাকালের রাজপথে মিশে যাবে, এমনটা আমরা বিশ্বাস করতে চাই। আমরা তাঁর গুরুপরম্পরা কবিতা লক্ষ্য করিঃ

    দূর থেকে হেঁটে আসছো গুরু এবং হেঁটে যাচ্ছো দূরে/আমি আছি সাধনসঙ্গিনী -সাধিকা/তোমার পূর্বাপর /তাই তোমার ইতিহাস/ আমি ছাড়া কে লিখতে পারে/তুমি আসছো গুরু/ভারতবর্ষের প্রাচীন ইতিহাসের পথ পাড়ি দিয়ে /তোমার চলার পথে গৌতমবুদ্ধ ছিল/বজ্রযোগিনী গ্রামে তুমিই অতীশ দীপন্করকে শিখিয়েছিলে/প্রজ্ঞাপারমিতার গান,সাধনা ও ধ্যান-জ্ঞান /বিশ্বম্ভর,লালন আর রুমি যে তত্ত্ব বিকাশ করেছিল দেহকে আশ্রয় করে/সেই ভাষা থেকে তুমি ছুটে চলেছো আমাকে সঙ্গে নিয়ে/ এবার পথের ধারে যে নদী ঋতুমতী হয়ে চন্দ্র উদয় করে বিনা আকাশে/সে নদীর নামে/আমার নাম দিয়েছো নারী/আমি সাধিকার মতো তোমার দেহঘরে সাধনার ভাষা দিয়ে ফিরি/প্রতি নিশিতে ও দিবস কুসুমে…/আমি তুমি এক হয়ে গুরুপরম্পরায় দিন গুনি/বৈশাখ থেকে চৈত্র অবধি/ এবার বাংলাশ রাষ্ট্র হোক তবে/ তোমার আমার নতুন জাগরণ।।
    (গুরুপরম্পরা, পৃষ্ঠা ৭৭)

    আধুনিক বাংলা কবিতায় গুরুপরম্পরা একটা নতুন সংযোজন। মিথ, ঐতিহ্য, ইতিহাসকে সুফিবাদের পথে নিয়ে যাওয়ার যে মুন্সিয়ানা কবি দেখিয়েছেন তা শব্দের অলংকারে বাজেনি, তা ঝলসে উঠেছে নিজস্ব চেতনার আলোয়। যে আলো কবি অর্জন করেছেন গুরু দীক্ষায়।

    লেখক : তৌফিক জহুর, কবি ও সম্পাদক

    Advertisement for African All Media List
    naznin mortuza
    Follow on Google News Follow on Facebook
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link
    আগের কন্টেন্ট মাংস নরম করবেন যেভাবে
    পরের কন্টেন্ট নওমুসলিমের কথা: মহানবী (সা.)-এর জীবনী পড়ে মুসলিম হয়েছি

    এ সম্পর্কিত আরও কন্টেন্ট »

    সাহিত্য

    নজরুলের বই প্রকাশ : আনন্দ ও বেদনার এক মহাকাব্যিক উপাখ্যান

    সাহিত্য

    সাহিত্যে নোবেল পেলেন হাঙ্গেরিয়ান ঔপন্যাসিক

    সাহিত্য

    ভারতীয় সাহিত্যের শেক্সপিয়র কালিদাস

    সাহিত্য

    আসছে আরফান হোসাইন রাফির প্রথম কাব্যগ্রন্থ

    সাহিত্য

    আমি বিচারক হলে অযোধ্যার সেই জমিতে হতো বিজ্ঞান স্কুল : তসলিমা

    সাহিত্য

    রঞ্জন ঘোষালের কাছ থেকে বাংলার পুরুষদের শেখার আছে : তসলিমা

    মন্তব্য যুক্ত করুন
    মন্তব্য করতে সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করুন! উত্তরটি বাতিল করুন

    • মজার খবর
    • সর্বাধিক পঠিত
    • আলোচিত খবর
    April 21, 2026

    দৌড়ে মানুষের রেকর্ড ভাঙল চীনা রোবট!

    April 19, 2026

    মানুষ কেন মারামারি দেখতে পছন্দ করে

    February 17, 2026

    আপনি আপনার নানির গর্ভেও ছিলেন, জানেন কি?

    October 25, 2025

    চুমু খেলে কমবে মেদ-ওজন!

    September 22, 2025

    বিমানের ভেতরে ইঁদুর, ফ্লাইট উড্ডয়নে বিলম্ব

    September 17, 2025

    মানুষ কেন বহু জনের প্রতি আকষর্ণ বোধ করে

    September 2, 2025

    ব্রিটেনের অবিবাহিত পুরুষরা ৪ মাসে একবার বিছানার চাদর পাল্টান

    August 31, 2025

    জাপানি চায়ে বিশ্ব মাতোয়ারা

    August 26, 2025

    বিড়াল দত্তকে মিলবে ফ্ল্যাট ও টাকা

    August 18, 2025

    নেদারল্যান্ডসের অভিবাসন জাদুঘর

    April 20, 2025

    সহজে ভিসা পাওয়া যায় এমন ইউরোপীয় দেশসমূহ

    February 24, 2026

    নিউজিল্যান্ড স্টুডেন্ট ভিসা : দ্রুত পাওয়ার সহজ ধাপসমূহ

    April 27, 2025

    আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সহজ উপায়

    February 9, 2013

    আসছে ফেসবুক ফোন

    February 23, 2019

    বাংলা উইকিপিডিয়া সমৃদ্ধ করার আহ্বান

    March 9, 2017

    ব্রণের হাত থেকে বাঁচতে যা করবেন

    February 26, 2017

    জেনে নিন কাপড় থেকে দাগ তোলার সহজ উপায়

    June 30, 2019

    চীনের কাছে হেরে গেল যুক্তরাষ্ট্র, হুয়াওয়ের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

    April 8, 2019

    একটি মারাত্মক ভূল কাজ !! এক কম্বলের নিচে দুই ভাই, দুই বোন অথবা দুই বন্ধু ঘুমানো !!

    May 5, 2016

    গরমে রঙিন আরামের পোশাক

    February 11, 2026

    চলতি বছর কোন দেশে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ?

    October 31, 2025

    ওমরাহ ভিসা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, আসছে বড় পরিবর্তন

    October 30, 2025

    জার্মানির ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা

    October 30, 2025

    মাল্টায় গোল্ডেন ভিসার সুযোগ

    October 27, 2025

    এইচ-১বি ভিসা স্পন্সরশিপ বন্ধ করল আমেরিকার ৪ বড় কোম্পানি

    October 26, 2025

    গ্রিন কার্ড প্রত্যাশী ব্যবসায়ীদের জন্য দারুণ সংবাদ দিল আমেরিকা

    October 23, 2025

    এক প্রশ্নেই ভিসা বাতিল শিক্ষার্থীর, এফ-১ ভিসা নিয়ে নতুন বিতর্ক

    October 19, 2025

    ভিসা বাতিল হতে পারে ৯টি সাধারণ ভুল

    October 18, 2025

    ভিসা সংকটে বাংলাদেশিরা

    October 8, 2025

    ‘ভারতীয়দের জন্য ভিসা নীতি শিথিল হবে না’

    সর্বশেষ...
    May 26, 2026

    সুযোগ পেলেই জীবনসঙ্গীকে যে ৩০টি বাক্য বলবেন

    May 25, 2026

    নজরুলের বই প্রকাশ : আনন্দ ও বেদনার এক মহাকাব্যিক উপাখ্যান

    May 25, 2026

    কুয়েতকে ২৪০ টন খাদ্য সহায়তা দিলো বাংলাদেশ

    May 23, 2026

    শিশুদের ওপর বর্বরতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে : ইউনিসেফ

    জনপ্রিয় টপিকসমূহ
    অর্থনীতি খেলা চাকরির খবর জীবনধারা টিপ্স-ট্রিক্স ধর্ম প্রবাসকথা প্রযুক্তি বাংলাদেশ বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিনোদন বিবিধ বিশ্বজুড়ে ভিসাতথ্য মজার খবর মতামত রূপচর্চা রেসিপি সাহিত্য স্বাস্থ্য
    দৈনিক আর্কাইভ
    May 2026
    S S M T W T F
     1
    2345678
    9101112131415
    16171819202122
    23242526272829
    3031  
    « Apr    
    Copyright © 2011-2026 BartaBangla. Powered by DigBazar.
    • Home
    • About Us
    • Contact us
    • Our Team
    • Impressum
    • Sitemap
    • Download Apps

    কোনও কিছু অনুসন্ধান করার জন্য উপরে কিছু লিখে এন্টার চাপুন...

    আপনার ব্রাউজারে অ্যাড-ব্লকার সক্রিয়!
    আপনার ব্রাউজারে অ্যাড-ব্লকার সক্রিয়!
    আমাদের ওয়েবসাইটটি বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই অনুগ্রহ করে আপনার অ্যাড-ব্লকার নিষ্ক্রিয় করে আমাদেরকে সহযোগিতা করুন...