বিনামূল্যে নাক-কান-গলার চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে আদ্-দ্বীন ব্যারিস্টার

আদ্-দ্বীন

বিনামূল্যে নাক-কান-গলার চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে আদ্-দ্বীন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক হাসপাতাল। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কথা বিবেচনা করে শনিবার রাজধানীর পোস্তগোলায় শতাধিক রোগীর চিকিৎসার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক।

এ সময় আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দীন, আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের মেডিকেল এডুকেশন অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স আনোয়ার হোসেন মুন্সী, আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আফিকুর রহমান, বসুন্ধরা আদ্-দ্বীন মেডেকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আবু উবায়েদ মহসিন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালসমূহের পরিচালক ডা. নাহিদ ইয়াসমিন, আদ্-দ্বীন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, উপ-পরিচালক ডা. মাহফুজা জেসমিন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, আদ্ দ্বীন হাসপাতাল সূচনালগ্নেই সেবাধর্মী মনোভাব নিয়ে যাত্রা করে। হাঁটিহাঁটি পা পা করে আজ বৃহৎ পরিসরে বিস্তৃতি লাভ করেছে। এ বছর সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে আদ্ দ্বীনের সেবাকার্যক্রম পৌঁছে দিতে আমরা বর্ষব্যাপী বিনামূল্যে বিভিন্ন বিভাগের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা চালু রাখব। আদ্-দ্বীনের ব্রত হচ্ছে, সকলের সাধ্যের মধ্যে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান করা।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দীন কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি বলেন, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে বহির্বিভাগে এ চিকিৎসাসেবা ও অপারেশনের জন্য রোগী বাছাই করা হবে। বাছাইকৃত রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন করা হবে। ভর্তি রোগীর অপারেশন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও থাকা-খাওয়ার সম্পূর্ণ খরচ হাসপাতাল বহন করবে।

উল্লেখ্য, আদ্-দ্বীন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক হাসপাতালে প্রতি মাসে বিভিন্ন বিভাগের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে। গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন করা হয়েছে। এতে প্রায় চার হাজার রোগীর বহির্বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ সময় ৪৮৮ জন রোগীর বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন করা হয়। এছাড়াও ১৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফিজিওফেরাপি বিভাগে বিনামূল্যে তিন হাজার ৪৮ জন রোগীকে ফিজিওফেরাপি দেয়া হয়।