বার্তাবাংলা ডেস্ক »

৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রাজধানীর কাঁটাবনের কবিতা ক্যাফে অডিটরিয়ামে হয়ে গেল ত্রৈমাসিক সাহিত্য দিগন্ত লেখক পুরস্কার ২০১৭-১৮ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে ২০১৭-১৮ সালে বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় প্রতিশ্রুতিশীল এবং প্রতিভাবান লেখকদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া ২০১৯ সালে একজন প্রতিভাবান তরুণ লেখককে তরুণ লেখক পুরস্কার ২০১৯ দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কবি-সাহিত্যিকদের সম্মাননা সনদ, টি-শার্ট, পলো শার্ট, লাভ ক্যান্ডি উপহার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ব্যান্ডশিল্পী পাপী মনা গান পরিবেশন করেন। আবৃত্তি করেন কবি ও বাচিকশিল্পীরা।

অনুষ্ঠানে ৮ লেখকের নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন জাতিসত্তার কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি কাজী রোজী, কবি আসলাম সানী, কথাসাহিত্যিক মোহিত কামাল, কবি আলমগীর রেজা চৌধুরী, কবি সৈয়দ আল ফারুক, কবি জুয়েল মাজহার, বাচিকশিল্পী ড. শাহদাৎ হোসেন নিপু, শিশুসাহিত্যিক হাসনাত আমজাদ, কবি আতিয়ার রহমান, কানাই সরকার এবং প্রাবন্ধিক ড. শামস আলদীন। সভাপতিত্ব করেন কবি ফরিদুজ্জামান।

২০১৭ সালে বিভিন্ন শাখায় পুরস্কার পেলেন- তাহমিনা কোরাইশী- অহল্যা যামিনী (ছোট গল্প), ড. তপন বাগচী- লোকগানের খোঁজে (প্রবন্ধ), ড. শোয়াইব জিবরান- কাঠ চেরাইয়ের শব্দ (কবিতা), দীপু মাহমুদ- মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ একজন (কথাসাহিত্য), আশরাফুল মোসাদ্দেক- আধুনিক জাপানের হাইকু (অনুবাদ), হুমায়ূন কবীর ঢালী- পিতাপুত্র (উপন্যাস), সোহেল মল্লিক- মজার পড়া ৫০ ছড়া (ছড়া), লিন্ডা আমিন- সমকাল পুড়ে যায় লোভে (কবিতা), ড. শামস আলদীন- প্রসঙ্গ কথাসাহিত্য ও অন্যান্য।

২০১৮ সালে বিভিন্ন শাখায় পুরস্কার পেলেন- আমিনুল ইসলাম সেলিম- গৃহপালিত দুঃখ, চন্দ্রশিলা ছন্দা- দেহ ভাস্কর্য, সুশান্ত হালদার- নীলা, হাবিবা বেগম- উত্তরণ, মাসুমা টফি একা- টুকটুকির ভালো বাবা।

২০১৮ সালে সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখায় সাহিত্য দিগন্ত এবং ফ্রেন্ডস অব হিউম্যানিটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ কমপ্ল্যায়েন্স প্রফেশনালস সোসাইটি-বিসিপিএস, এক রঙ্গা এক ঘুড়ি, বাতিঘর, কানাই সরকার (গ্রুপ পরিচালক, মডেল গ্রুপ), মাহবুব হাসান বাবর (শিক্ষাবিদ) এবং জলধি সাহিত্য পত্রিকাকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়া ২০১৯ সালে প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ লেখক হিসেবে নুরেন নাহার সীমাকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে দেশের ১৮৬ জন কবি-সাহিত্যিক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি গ্রন্থনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেন ত্রৈমাসিক সাহিত্য দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক জায়েদ হোসাইন লাকী। তার সাথে উপস্থাপনায় ছিলেন ফারজানা হক, ইয়াসমীন নীলুফার এবং হাবিবা মুসতারিন। অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন সোনালী ইয়াসমীন। সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জাহাঙ্গীর হোসেন কবির।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »