মীমাংসার জন্য ডেকে হত্যা

মরদেহ

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়ায় এক বৃদ্ধ খুন হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মারধর করা হলে রোববার ভোরে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় জড়িত কেউ এখনো আটক হয়নি।

নিহত ফজল কবির (৬২) খরুলিয়ার মাস্টারপাড়া গ্রামের মৃত আসাদ আলী ছেলে। মরদেহ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের ছেলে আনিছুল কবির জানান, তাদের মালিকানাধীন একটি জায়গা নিয়ে একই এলাকার নূর আহম্মদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সদর থানায় মামলাও হয়েছে।

শনিবার রাত ১২টার দিকে ফজল কবিরকে সেই মামলার মীমাংসার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় কবির আহম্মদ ও নুরুল ইসলাম। পরে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে তাকে স্থানীয় হত্যা পুকুরপাড় এলাকা থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ভোরে মারা যান।

ছেলে আনিছুলের ধারণা, তার বাবা ফজল কবিরকে পিটিয়ে আহত করে হত্যাপুকুর পাড়ে ফেলে রেখে যায় প্রতিপক্ষ। ঘটনায় নুর আহম্মদ, মনির আহম্মদ, ফয়েজ আহম্মদ, গিয়াস উদ্দিন, রফিক, এনাম, টিপু, শহিদ, নজরুলসহ আরো কয়েকজন জড়িত দাবি করে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান বলেন, খবর এসেছে, লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের খরুলিয়ায় এক বৃদ্ধ খুন হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মারধর করা হলে রোববার ভোরে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় জড়িত কেউ এখনো আটক হয়নি।

নিহত ফজল কবির (৬২) খরুলিয়ার মাস্টারপাড়া গ্রামের মৃত আসাদ আলী ছেলে। মরদেহ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের ছেলে আনিছুল কবির জানান, তাদের মালিকানাধীন একটি জায়গা নিয়ে একই এলাকার নূর আহম্মদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সদর থানায় মামলাও হয়েছে।

শনিবার রাত ১২টার দিকে ফজল কবিরকে সেই মামলার মীমাংসার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় কবির আহম্মদ ও নুরুল ইসলাম। পরে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে তাকে স্থানীয় হত্যা পুকুরপাড় এলাকা থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ভোরে মারা যান।

ছেলে আনিছুলের ধারণা, তার বাবা ফজল কবিরকে পিটিয়ে আহত করে হত্যাপুকুর পাড়ে ফেলে রেখে যায় প্রতিপক্ষ। ঘটনায় নুর আহম্মদ, মনির আহম্মদ, ফয়েজ আহম্মদ, গিয়াস উদ্দিন, রফিক, এনাম, টিপু, শহিদ, নজরুলসহ আরো কয়েকজন জড়িত দাবি করে হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. খায়রুজ্জামান বলেন, খবর এসেছে, লিখিত অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।