ক্ষেপে গেলেন মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার দুপুরে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে বগুড়ার চারতারকা হোটেল মমোইনে যাত্রাবিরতি করেন।

এ সময় মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম। তারা দুইজন কথা বলতে বলতে মমোইন হোটেলে যান। কিন্তু মমোইন হোটেলের লিফটে তাদের মধ্যে শুরু হয় বাগবিতণ্ডা। দুইজনের মধ্যে শুরু হয় উচ্চবাচ্য। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে যান তারা দুইজন।

জানা যায়, লিফটে অবস্থানকালে হঠাৎ করেই কিছু একটা নিয়ে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলামের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। লিফটে অবস্থানকালে হঠাৎ করেই উত্তেজিত হয়ে যান তারা।

তবে কী নিয়ে এই বাগবিতণ্ডা হয়েছে তাদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে থাকা জেলা বিএনপি নেতাদের ফোন ঘটনার পরবর্তী সময়ে বন্ধ ছিল। এ কারণে কারও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনার পর বগুড়া সদর উপজেলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের নামে তামাশা করে আওয়ামী লীগ আজ গণশত্রুতে পরিণত হয়েছে। নির্বাচনের পর তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বিএনপির এই সংকটকালে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না করে ধ্বংস করা হয়েছে। ক্ষমতায় আসার জন্য আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করে সকল প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ করেছে। আমরা গণতন্ত্র উদ্ধারে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, দেশ আজ গভীর সংকটে পড়েছে। ভয়াবহ দুর্বৃত্তায়নের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার কারণে এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।

বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, রেজাউল করিম বাদশা, সাবেক এমপি গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ও হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু প্রমুখ।