স্বাস্থ্যসম্মত জীবন-যাপনের উপায়

স্বাস্থ্যসম্মত জীবন-যাপনের উপায়

সবাই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন সবাই উপভোগ করতে চায়। স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপন মানে আপনার পুরো জীবনধারাকে পরিবর্তন নয়। কিছু কিছু সহজ উপায়ে আপনি সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন। এখানে আপনাদের জন্য এমন কিছু টিপস আছে যা অনুসরণ করে আপনি স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপন করতে পারেন।

১। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। ঘুম থেকে উঠে ৩০-৪০ মিনিট হাঁটুন। হাঁটাহাঁটি করা সবচেয়ে ভাল ব্যায়াম। এতে আপনার মন এবং শরীর উভয়ই টাকটা থাকবে অর্থাৎ সতেজ থাকবে। সকালে খালি পেটে ১-২ গ্লাস পানি খেতে পারেন, এতে এসিডিটি হতে রক্ষা পেতে পারেন।

২। আপনার শারীরিক গঠন অনুযায়ী ব্যায়াম করতে পারেন। হাঁটাহাঁটি করার পাশাপাশি আপনি যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।

৩। নিয়মিত গোসল করুন। বিশেষ করে ব্যায়াম করার পর কিছুক্ষন রেস্ট নিয়ে গোসল করতে পারেন। নিয়মিত গোসল না করলে আপনার শরীরের লোমকূপগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা আপনার শরীরের জন্য মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

৪। প্রত্যেকদিন অন্তত ২-৩ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করুন। সকালের দিকে যদি পারেন মধু ও লেবু দিয়ে হালকা গরম পানি পান করতে পারেন।

৫। প্রতিবেলা খাবারে অন্তত ২ প্রকার সবজি এবং ১ টি ফল রাখুন। যদি পারেন সপ্তাহে ১ দিন রোজা রাখুন এতে আপনার শরীরে খাবারের ব্যাল্যান্স ঠিক থাকবে।

৬। প্রত্যেক বেলা খাবারের শুরুতে সবজির সালাদ খেতে পারেন। বিভিন্ন ধরণের সবজি একসাথে করে নাস্তা তৈরি করতে পারেন। অবশ্যই যেন টাকটা সবজি হয়। বাসি খাবার অথবা ফ্রিজে রাখা খাবার বর্জন করুন। রান্না করার সাথে সাথে খাবার খেয়ে নিন।

৭। সপ্তাহে ১ দিন সকাল থেকে শুরু করে দুপুর পর্যন্ত শুধু ফল খেতে পারেন তারপর দুপুরের খাবার খান।

৮। চুলের প্রতি যত্নশীল হউন। চুল মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। সপ্তাহে অন্তত ১ দিন শ্যাম্পু করুন। এতে আপনার মন ফ্রেশ থাকবে।

৯। সবসময় নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। এতে মন ও শরীর উভয়ের জন্য ভাল। নিয়মিত শরীরের যত্ন নিন। আপনার রুচিমত পোশাক পরিধান করুন। শরীরের সৌন্দর্য ধরে রাখুন।

১০। মাত্রাতিরিক্ত কফি ও চা পান করবেন না। এর পরিবরতে টাকটা ও সুস্বাদু ফলের রস খেতে পারেন।

১১। তৈলাক্ত ও চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করুন। উচ্চ চিনিযুক্ত খাবার পরিহার করুন যেমনঃ কোমল পানীয়, আইসক্রিম ইত্যাদি।

১২। ফাস্টফুট কে না বলুন। এ ধরনের খাবার এ প্রচুর পরিমানে ফ্যাট থাকে যা স্বাস্থের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষ করে শিশুদের খাওয়ালে তাদের হাপানি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

১৩। মাত্রাতিরিক্ত গাড়ি চালান থেকে বিরত থাকুন। পায়ে হেঁটে কাজ করার চেষ্টা করুন। এতে আপনি অনেকদিন সুস্থ থাকতে পারবেন।

১৪। ধূমপান ও মাদককে না বলুন। কারো অভ্যাস থেকে থাকলে বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

১৫। ঘুমানোর আগে পাতলা সুতি পোশাক পরিধান করুন। এর কারন পাতলা সুতি কাপড় পরিধান করলে শরীরের শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোন ব্যাঘাত ঘটে না।