বার্তাবাংলা ডেস্ক »

ranguniaচট্টগ্রাম অফিস :: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগর চৌমুহনী এলাকায় আজ বুধবার পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের ভাষ্যমতে, জমি দখলের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ‘সন্ত্রাসী’ বলে পরিচিত গিয়াস উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের ভাষ্য, চৌমুহনী এলাকার গুমাইবিলে জমি দখল নিয়ে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে উপজেলার ‘কুখ্যাত সন্ত্রাসী’ গিয়াস উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য গুলি ছোড়েন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) চন্দন কুমার দে (৪১), কনস্টেবল জাহেদুল হাসান (৩২), স্থানীয় ব্যক্তি আলী হোসেন (২৮), মো. রহিম (৩১) ও কালুমিয়া (২৭) গুলিবিদ্ধ হন। এঁদের মধ্যে দুই পুলিশ সদস্য রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আলী হোসেনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও অন্যদের চন্দ্রঘোনা ক্রিশ্চিয়ান মিশনারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে, গুমাইবিলে কেনা নিজেদের ৮০ শতাংশ জমিতে বেড়া দিতে গেলে মরিয়মনগর ইউনিয়নের ইসমাইল হোসেন সওদাগরের ছেলে খোকনকে বাধা দেন ভূমিদস্যু বলে পরিচিত সন্ত্রাসী গিয়াসউদ্দিন ও তাঁর ২৫-২৬ জন সহযোগী। তাঁরা খোকনের চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তাঁরা খোকন ও বেড়ার কাজে লাগানো শ্রমিকদের মারধর করেন এবং অস্ত্র তুলে ভয় দেখান। খোকন এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। প্রায় এক ঘণ্টার এই ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৫০-৬০টি গুলির শব্দ শোনা গেছে বলে এলাকাবাসী জানান।
খোকন দাবি করেন, এই জমি তাঁর বাবা কিনেছেন। এক মাস আগে তিনি মারা যান। তাঁর অভিযোগ, ওই জমিতে বেড়া দিতে গেলে সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত গিয়াস উদ্দিন, কানা আলতাফ, ডাকাত আলতাফ ও সুন্দর আলতাফসহ ২৫-২৬ জন সন্ত্রাসী মিলে তাঁকে ও শ্রমিকদের মারধর করেন। অস্ত্র দিয়ে তাঁরা ভয়ও দেখান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওসি চন্দন কুমার দে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বন্দুকধারী ভূমিদস্যু সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পুলিশ ‘সন্ত্রাসী’ গিয়াস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার ও কানা আলতাফের মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগর চৌমুহনী এলাকায় আজ বুধবার পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের ভাষ্যমতে, জমি দখলের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ‘সন্ত্রাসী’ বলে পরিচিত গিয়াস উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের ভাষ্য, চৌমুহনী এলাকার গুমাইবিলে জমি দখল নিয়ে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে উপজেলার ‘কুখ্যাত সন্ত্রাসী’ গিয়াস উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য গুলি ছোড়েন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) চন্দন কুমার দে (৪১), কনস্টেবল জাহেদুল হাসান (৩২), স্থানীয় ব্যক্তি আলী হোসেন (২৮), মো. রহিম (৩১) ও কালুমিয়া (২৭) গুলিবিদ্ধ হন। এঁদের মধ্যে দুই পুলিশ সদস্য রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আলী হোসেনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও অন্যদের চন্দ্রঘোনা ক্রিশ্চিয়ান মিশনারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্যমতে, গুমাইবিলে কেনা নিজেদের ৮০ শতাংশ জমিতে বেড়া দিতে গেলে মরিয়মনগর ইউনিয়নের ইসমাইল হোসেন সওদাগরের ছেলে খোকনকে বাধা দেন ভূমিদস্যু বলে পরিচিত সন্ত্রাসী গিয়াসউদ্দিন ও তাঁর ২৫-২৬ জন সহযোগী। তাঁরা খোকনের চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তাঁরা খোকন ও বেড়ার কাজে লাগানো শ্রমিকদের মারধর করেন এবং অস্ত্র তুলে ভয় দেখান। খোকন এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। প্রায় এক ঘণ্টার এই ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৫০-৬০টি গুলির শব্দ শোনা গেছে বলে এলাকাবাসী জানান।
খোকন দাবি করেন, এই জমি তাঁর বাবা কিনেছেন। এক মাস আগে তিনি মারা যান। তাঁর অভিযোগ, ওই জমিতে বেড়া দিতে গেলে সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত গিয়াস উদ্দিন, কানা আলতাফ, ডাকাত আলতাফ ও সুন্দর আলতাফসহ ২৫-২৬ জন সন্ত্রাসী মিলে তাঁকে ও শ্রমিকদের মারধর করেন। অস্ত্র দিয়ে তাঁরা ভয়ও দেখান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওসি চন্দন কুমার দে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বন্দুকধারী ভূমিদস্যু সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পুলিশ ‘সন্ত্রাসী’ গিয়াস উদ্দিনকে গ্রেপ্তার ও কানা আলতাফের মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »