বার্তাবাংলা ডেস্ক »

বিদায়ী বছরের শেষে এসে টানা চারদিনের ছুটির ফাঁদে পড়েছিল দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর। এ সময় ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি পুরোপুরি বন্ধ ছিল। আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ সংকট থেকে বছরের শেষে এসে স্থানীয় পাইকারি বাজারে পণ্যটির দাম বেড়ে যায়। তবে ছুটি শেষে আমদানি পুনরায় চালু হওয়ায় সরবরাহ সংকট কেটে গিয়ে হিলিতে পেঁয়াজের দাম ফের কমতে শুরু করেছে। গত চারদিনেই পেঁয়াজের কেজি ৫ টাকা কমে ১৩ টাকায় নেমে এসেছে।

গতকাল হিলি স্থলবন্দরে পাইকারি আড়তগুলো ঘুরে ভারতের ইন্দোর, হুগলি ও গুজরাট থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ সবচেয়ে বেশি বিক্রি হতে দেখা যায়। এ সময় আমদানি করা পেঁয়াজ পাইকারি পর্যায়ে (ট্রাক সেল) মানভেদে কেজিপ্রতি ১৩-১৫ টাকায় বিক্রি হয়। চারদিন আগেও প্রতি কেজি আমদানি করা এসব পেঁয়াজ মানভেদে ১৮-২০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সেই হিসাবে চারদিনের ব্যবধানে হিলির পাইকারি বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা কমেছে।

এদিকে পাইকারি পর্যায়ে দরপতনের প্রভাব পড়েছে পেঁয়াজের খুচরা বাজারেও। হিলির খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫-১৬ টাকা দরে। চারদিন আগেও পণ্যটি কেজিপ্রতি ১৮-২০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন জানান, সাপ্তাহিক ছুটি, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বার্ষিক ক্লোজিংয়ের কারণে বছরের শেষে টানা চারদিন ব্যাংক বন্ধ ছিল। এ কারণে চারদিন হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সব ধরনের আমদানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। হয়নি রফতানিও। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে ব্যাংকে লেনদেন শুরু হয়। এরপর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৪০টি ট্রাকে প্রায় ৮০০ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

তিনি বলেন, চারদিন আমদানি বন্ধ থাকায় হিলির পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে ২০ টাকায় পৌঁছে যায়। নতুন বছরের শুরুতে আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসায় পণ্যটির দাম ফের কেজিপ্রতি ১৩ টাকায় নেমে এসেছে। আগামী দিনগুলোয় হিলিতে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমতির দিকেই থাকতে পারে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »