বার্তাবাংলা ডেস্ক »

খেলাটা দলীয়। কিন্তু অনেক সময় যে একাই প্রতিপক্ষকে কাবু করে দেয়া যায়, ইয়াসির শাহ দেখিয়ে দিলেন। দুবাই টেস্টে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ১০ উইকেটের মধ্যে ৮টিই দখলে নিলেন পাকিস্তানি এই লেগস্পিনার। বাকি দুই উইকেটের মধ্যে একটি রানআউট হয়েছে, সেটিতেও ছিল ইয়াসিরের হাতের ছোঁয়া। অবিশ্বাস্য!

দুবাই টেস্টে দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সে বেশ কয়েকটি রেকর্ডেও হাতের ছোঁয়া পড়ে গেছে ইয়াসিরের। হয়েছে কয়েকটি দলগত রেকর্ড। এক নজরে দেখে নেয়া যাক সেগুলো…

৮/৪১ : সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোনো বোলারের সেরা ফিগার ইয়াসির শাহের এটিই। দুই বছর আগে দেবেন্দ্র বিশুর ৪৯ রানে নেয়া ৮ উইকেট ছিল এতদিন এই তালিকায় সবার উপরে। ইয়াসিরের বোলিং ফিগারটি এখন পাকিস্তানি কোনো বোলারেরই তৃতীয় সেরা। এক নাম্বারে আছেন কিংবদন্তি আবদুল কাদির (৯/৫৬), দুইয়ে সরফরাজ নওয়াজ (৯/৮৬)।

০ : নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে কেউই ইয়াসিরের চেয়ে ভালো বোলিং ফিগারের মালিক হননি। ১৯৬১-৬২ মৌসুমে জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকা গফি লরেন্স ৫৩ রানে নিয়েছিলেন ৮ উইকেট।

৪০ : নিউজিল্যান্ডে তাদের শেষ ১০ উইকেট হারিয়েছে ৪০ রানে। ওপেনিংয়ে কমপক্ষে ৫০ রান উঠার পর সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার যৌথ রেকর্ড এটি। ২০০১ সালে এই নিউজিল্যান্ডই পাকিস্তানের বিপক্ষে অকল্যান্ডে বিনা উইকেটে ৯১ তোলার পর ১৩১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল।

৫ : চার নাম্বার থেকে ১১ নাম্বার ব্যাটসম্যানের ৫-এর কম রানে আউট হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম। শেষ আট ব্যাটসম্যানের ছয়জনেরই শূন্যতে আউট হওয়ার ঘটনাও টেস্টে এই প্রথম।

৯০ : নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ, আরব আমিরাতে ২০০৯ সালের পর দ্বিতীয় সর্বনিন্ম। ২০১২ সালে আবুধাবিতে ইংল্যান্ডের ৭২ রানে অলআউট হওয়ার ঘটনাটি এই তালিকায় প্রথম। গত পাঁচ বছরে কোনো দলের পাকিস্তানের বিপক্ষে সবচেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার ঘটনাও এটি।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »