বার্তাবাংলা ডেস্ক »

finance ministerবার্তাবাংলা ডেস্ক :: বিদ্যুৎ সংকট পুরোপুরি সমাধান হতে আরো দুই বছর লাগবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
ভোলায় গ্যাসভিত্তিক একটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ সরকারের মেয়াদে এলএনজি টার্মিনালও নির্মান করা সম্ভব নয়।ভোলায় ২২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্যাস চালিত একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করতে চীনা একটি কোম্পানি সঙ্গে এ চুক্তি করলো বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।
চুক্তি অনুযায়ী চীনের কোম্পানি ১৮ মাসের মধ্যে প্রাথমিক উৎপাদনে আসবে।
দেশের ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট মেটাতে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসেই বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। পর পর কয়েক বছর জাতীয় বাজেটেও অতিরিক্ত অর্থের বরাদ্দেরও ব্যবস্থা করে সরকার। কিন্তু জ্বালানি সংকট আর গ্যাস ভিত্তিক বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে নানা জটিলতায় পড়ে চার বছরেও বিদ্যুৎ সংকট পুরোপুরি সমাধান হয়নি। সংকটের কথা স্বীকার করে অর্থমন্ত্রী জানালেন, বিদ্যুৎ সংকট পুরোপুরি মিটতে সময় লাগবে আরো অন্তত দুই বছর।
ভোলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ চুক্তি অনুষ্ঠানে জ্বালানি সংকটের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সার কারখানা বন্ধ রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস দেয়া হচ্ছে। অথচ ভোলাতে গ্যাস আবিস্কার হওয়ার ১৫ বছরেও কোনো সরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হয়নি। মহাজোট সরকারের চার বছরেও ভোলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানে ব্যর্থতার কারণ তুলে ধরেন উপদেষ্টা।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক ই এলাহী বলেন, ‘ভোলার বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে একটি রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট করা হয় এবং একটি আইপিপিকে কার্যাদেশ দিয়েছিলাম। পরে তারা কার্যাদেশ মোতাবেক কাজ করতে সমর্থ হয়নি। যখন একটি প্রকল্প হলো না, তখন সরকার দুটি প্রকল্প হাতে নিয়ে দুটিকেই বাস্তবায়িত করছে।’
বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা যার মধ্যে ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক ১৪শ’ কোটি টাকারও বেশি ঋণ দিচ্ছে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »