বার্তাবাংলা ডেস্ক »

hasina in breffবার্তাবাংলা ডেস্ক :: দেশের সমুদ্রসীমায় বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকার আকাশসীমা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার রাজধানীর কুর্মিটোলায় বিমানবাহিনীর নতুন ঘাঁটি ‘বঙ্গবন্ধু’ উদ্বোধন ও বিমানবাহিনীতে নতুন যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টার সংযোজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন , অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করেছে তার সরকার।
মঙ্গলবার সকালে বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এফ৭ বিজি১। আত্যাধুনিক এমন ১৬ টি যুদ্ধ বিমান যুক্ত হলো বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বহরে। চীনে তৈরি এই বিমান গুলো সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে শত্রুকে আঘাত করতে সক্ষম। আকাশ থেকে আকাশে শত্রু বিমান ধ্বংসেও এই বিমান অতুলনীয়। এছাড়া বিমান বাহিনীর বহরে আরো যুক্ত হলো এমআই-১৭১ এস এইচ সিরিজের ৪ টি হেলিকপ্টার। প্রতিকুল আবহাওয়াতেও নির্বিঘ্নে আকাশে ওড়ে এই হেলিকপ্টারগুলো।
অত্যাধুনিক এই বিমান এবং হেলিকপ্টারের বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভূক্তি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সকালে কুর্মিটোলায় আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও দক্ষ একটি বাহিনীতে পরিণত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে সরকার।
তিনি বলেন, ‘বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আকাশসীমা এবং স্বার্থরক্ষার ক্ষেত্রে বিমান বাহিনীর কার্যকারীতা ও সক্ষমতার এক নতুন মাত্রা পেল। আগামীতে শান্তি রক্ষা মিশনে আরো সক্ষম বাহিনী হিসেবে দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করবে এ প্রত্যাশা আমার আছে।’
শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘ইতোমধ্যে কৃষি, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গ্রামীনসহ সকল উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক কর্মকাণ্ড আমরা বাস্তবায়ন করেছি।’
যুদ্ধ ক্ষেত্রে বিমান চালনার মত চ্যালেঞ্জিং কাজে যাতে তরুণরা আগ্রহী হয় তার জন্য বিমান বাহিনীর জন্য সব ধরণের সহায়তা আব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এই উদ্বোধনের ফলে কুর্মিটোলা হিসেবে পরিচিত বিমান বাহিনীর ঘাঁটিটি জনবল ও নতুন যন্ত্রাংশসহ ‘ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু’ হিসেবে কাজ শুরু করলো।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »