বার্তাবাংলা ডেস্ক »

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের আমন্ত্রণে ঘুরে এলাম চীন। ৫ দিনের এই ভ্রমণে পরিচয় হয়েছে হরেক রকমের খাবারের সঙ্গে।

স্বাদ ও পরিবেশনের ভিন্নতায় প্রত্যেক খাবারেই ছিল বৈচিত্র্যতা। মুগ্ধ করেছে চীনাদের খাবার সময় নির্বাচনের বিষয়টি।

এই যেমন সকালের নাস্তা খেয়ে নেন ৮টার মধ্যেই। এরপর দুপুর ১২টায় মধ্যাহ্ন ভোজ। সন্ধ্যা ৬টায় রাতের খাবার। অবাক করার মত বিষয় হচ্ছে, বাংলাদেশের ‘চাইনিজ’ খাবারের সঙ্গে ‘আসল চাইনিজ’ খাবারের রাত-দিন পার্থক্য।

চীনের সাংহাই, সেনজেন শহর ঘুরে পরিচয় মিলেছে ‘আসল চাইনিজ’ খাবারের সঙ্গে।

ঘন দুধে মিস্টি দিয়ে সেমাই। এমনই খাবারের সঙ্গে আমরা পরিচিত। তবে চীনে কিন্তু সেমাই খাওয়া হয় একটু অন্য ভাবে। সামুদ্রিক কাঁকড়ার সঙ্গে সেমাই দিয়ে খেতেই পছন্দ চীনাদের। সেমাইকে তারা নুডলস হিসেবে খেতেই স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন।

পানির মতই তরল। লাল টকটকে পানীয়। এটিই নাকি স্যুপ। সয়াসস, সিমের চিবি, ভুট্টা, মাসরুম আর নুডলসের দেখা মিলল এই স্যুপে। স্বাদের বেশ ঝাল।

খাবার পরিবেশনের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ে চীনারা। এই ছবিটি তার ভালো উদাহরণ হতে পারে। খাবার চারপাশের পানিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে গোল্ড ফিস আর শামুক। তবে এগুলো খাওয়ার জন্য নয়। কেবলই পারিবেশনে বাড়তি আকর্ষণের জন্য।

নারিকেলের স্যুপ! নারিকেলের ভেতর গরম পানি তার ভেতর ৩/৪ টুকরো মুরগির মাংস। চীনাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এই স্যুপ।

সামুদ্রিক কাঁকড়ার মাংস ও নুডলস দিয়ে তৈরি এই খাবার বেশ সুস্বাদু। পরিবেশনে আকর্ষণ তৈরির জন্য খাবারের দু’পাশে দেওয়া হয়েছে দুইট শোপিস।

চীনের এই খাবারগুলো একবার খেলে চাইনিজ খাবার সম্পর্কে আপনার ধারণা এক মুহূর্তেই বদলে যেতে পারে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »