বার্তাবাংলা ডেস্ক »

তামিম-সাকিব নেই। পঞ্চপাণ্ডবের বাকি তিনজন মাশরাফি, মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকের অবস্থাও খুব ভালো নয়। তাদেরও ইনজুরি আছে। মাশরাফিরও হাতের আঙুলে ফ্র্যাকচারের মতো আছে। উরুতেও চোট আছে। মুশফিকের পাঁজরে ব্যাথা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদেরও পিঠে ব্যথা।

তবুও ধারণা করা হচ্ছে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে মাশরাফিই নেতৃত্ব দেবেন। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের স্থির বিশ্বাস, মাশরাফি সুস্থ এবং ওয়ানডেতে ঠিকই খেলবেন। তাইতো মুখে এমন কথা, ‘মাশরাফির ইনজুরি, তামিমের ইনজুরি। মাশরাফির সারা শরীরে ইনজুরি। ওর ইনজুরি নাই কই? তাও তো মনের জোরে খেলে।’

প্রশ্ন উঠেছে সাকিবের অবর্তমানে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অধিনায়কত্ব করবেন কে? এর আগে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি দুই ফরম্যাটেই ক্যাপ্টেন্সি করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। এবারো তিনিই থাকবেন? নাকি অধিনায়কত্ব বদল হবে?

টি-টোয়েন্টিতে মাহমুদউল্লাহ অধিনায়ক থাকলেও টেস্টে দল পরিচালনার দায়িত্বে অন্য কেউ থাকবেন কি-না বা অন্য কাউকে টেস্ট ক্যাপ্টেন করা হবে কিনা? এমন প্রশ্ন উঠেছে। সেটা যে অমূলক নয়, তার প্রমাণও আছে। অধিনায়কত্ব এখনো চূড়ান্ত নয়। তার প্রমাণ মিলেছে খোদ বিসিবি সভাপতির কথাতেই।

অধিনায়কত্ব নিয়ে কথা উঠতেই অনেক কথার ভিড়ে পাপন বলে ওঠেন, ‘হ্যাঁ আমরা দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেব। আকরাম (ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি চেয়ারম্যান, বোর্ড পরিচালক আকরাম খান) আমাকে ফোন দিয়েছিল। আমরা একটু চিন্তা করে তারপর দেখব কী করা যায়।’

শেষ কথাটি একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন, আকরাম ফোন করেছিল, আমরা একটু চিন্তা করে দেখবো কী করা যায়? তার মানে অধিনায়কত্বের বিষয়টি ঠিক আগের জায়গায় নেই। আগে তো মাহমুদউল্লাহ সাকিবের বদলে অধিনায়কত্ব করেছিলেন। এবার নিশ্চয়ই বিকল্প চিন্তা আছে। সাকিবের বিকল্প হিসেবে বোর্ড পুরনো অবস্থানে থাকলে মানে রিয়াদকে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দিতে চাইলে আর বোর্ড প্রধানের মুখে চিন্তা করে দেখার কথা শোনা যেত না। বিকল্প ভাবনা আছে বলেই হয়ক বোর্ড সভাপতি অমন কথা বলেছেন।

টেস্ট ক্যাপ্টেন নিয়ে নতুন চিন্তা-ভাবনা থাকলেও বোর্ড সভাপতির কথায় পরিষ্কার দল নিয়ে তাদের খুব বড় রদবদলের পরিকল্পনা নেই। তাই বিসিবি বিগবস জানি%

শেয়ার করুন »

Comments are closed.