বার্তাবাংলা ডেস্ক »

সব বয়সী মানুষই কমবেশি এগুলো পছন্দ করে। স্যান্ডউইচ ও প্যাটিসের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানালেন ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান তামান্না চৌধুরী।

স্যান্ডউইচ অনেকগুলো উপকরণ দিয়ে তৈরি করা যায়। প্রতিটি উপকরণেই আলাদা আলাদা পুষ্টিগুণ রয়েছে।

সবজির স্যান্ডউইচ সবচেয়ে বেশি পুষ্টিসম্পন্ন।

বাইরের স্যান্ডউইচ খাওয়ার চেয়ে নিজে তৈরি করে খাওয়াই ভালো।

এক বেলার খাবার হিসেবে খেলে স্যান্ডউইচ খেতে পারেন।

স্যান্ডউইচে তুলনামূলক কম চর্বি থাকে। তাই এটি স্বাস্থ্যকর।

বাসায় বানানো স্যান্ডউইচ প্রতিদিন খেতে পারেন। আর বাজারে তৈরি হলে সপ্তাহে এক-দুইবারের বেশি খাওয়া উচিত না।

স্যান্ডউইচ বেশি সবজি দিয়ে তৈরি করাটা খেলে পুষ্টিচাহিদা বেশি পূরণ হবে।

মেয়োনিজ দিয়ে স্যান্ডউইচ না খাওয়াই ভালো। এতে শরীরের ক্ষতি হয়।

প্যাটিস তৈরিতে বেশি তেল ব্যবহার করা হয়। তাই এটি তুলনামূলক শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

এতে শর্করা থাকে। তাই এটা শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ বেশি।

প্যাটিস বাসায় বানানো খুবই কষ্টকর। তারপরও বাজারের চেয়ে বাসায় বানিয়ে খাওয়া প্যাটিস পুষ্টিকর।

বেলা হিসেবে না খেয়ে নাশতার সময় প্যাটিস খাওয়াই ভালো।

বাসায় বানানো সম্ভব হলে সপ্তাহে একটি বা দুটি প্যাটিস খেতে পারেন। আর বাজারে তৈরি হলে মাসে এক বা দুইবারের বেশি খাওয়া উচিত না।

প্যাটিসের সঙ্গে ড্রেসিংস বা সস ব্যবহার করবেন না।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »