বার্তাবাংলা ডেস্ক »

আর একটি ঋতু পার হলেই মিলবে শীতের দেখা। আর এই শীতকে বলা হয় বিয়ের মৌসুম। বিয়ে তো আর একদিনে হয় না। অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ তো বটেই, এমনকি প্রেমের বিয়েতেও আয়োজন শুরু হয় বেশ আগে থেকেই। আপনার যদি প্রেমঘটিত বিয়ে না হয়, অর্থাৎ বিয়েটা যদি হয় সম্বন্ধ করে তবে আগে থেকে বেশ জানাশোনার চেষ্টা করবেন।

এক্ষেত্রে অনেক মেয়েই ছেলের সঙ্গে কী কথা বলবেন, কীভাবে কথা বলবেন এসব ভেবে ভেবে কূল পান না যেন। তবে সম্পূর্ণ অচেনা একজন মানুষকে বিয়ে করার চেয়ে বরং আগে থেকে জানাশোনা করে নিন। আংটিবদলের আগে পাত্র-পাত্রী পরস্পরকে কাছ থেকে চিনে জেনে নেওয়ার সুযোগ পান। কাজেই পারস্পরিক দেখাশোনার ব্যাপারটা খুবই জরুরি। জেনে নিন, প্রথমবার দেখা হওয়ার পর কী কী বিষয়ে কথা বলবেন আপনার হবু স্বামীর সঙ্গে!

বেড়াতে যেতে সবাই ভালোবাসে। তাছাড়া বেড়ানোর বিষয় নিয়ে কথাবার্তাও বলা যায় বেশ। কাজেই পাহাড় ভালো লাগে না সমুদ্র, মরুভূমি না জঙ্গল, এ নিয়ে দিব্যি কথোপকথন জমিয়ে তুলতে পারবেন। পাশাপাশি তার পছন্দ ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কেও একটা ধারণা তৈরি হয়ে যাবে।

স্কুলজীবন, দুষ্টুমি, বড়ো হয়ে ওঠার দিনগুলো নিয়ে আমরা সকলেই কমবেশি স্মৃতিকাতর থাকি। আপনাদের দুজনেরই ছোটবেলা যদি একই শহরে কেটে থাকে, তাহলে কমন ঘুরতে যাওয়ার জায়গা, অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন। সুন্দর একটা প্রাথমিক বন্ধুত্ব হয়ে যাবে দু’জনের মধ্যে। তারপর সিরিয়াস কথা বলার সময় তো পড়েই রয়েছে।

একসঙ্গে থাকতে গেলে খাওয়াদাওয়ার অভ্যাস একইরকম হওয়াটা জরুরি। আপনারা আমিষ খেতে ভালোবাসেন নাকি নিরামিষ, প্রিয় রেস্তরাঁ, রান্নাবান্নায় কে কেমন, এ সব বিষয় নিয়ে টুকটাক কথাবার্তা চালাতে থাকুন।

সন্ধ্যাবেলা মেগাসিরিয়াল দেখা আপনার দুচোখের বিষ? রোমান্সের চেয়ে বেশি পছন্দ অ্যাকশন ফিল্ম? তার সঙ্গে ভাগ করে নিন আপনার পছন্দ-অপছন্দ। গল্পগাছা তরতর করে এগিয়ে যাবে।

পেশাজীবনে উনি কতটা খুশি, এটা জানতে চাইতেই পারেন। পাশাপাশি নিজের প্ল্যানও শেয়ার করুন। আগামী দিনে আপনারা পেশাজগতে নিজেদের কোথায় দেখতে চান, পারস্পরিক আগ্রহের বিষয়, লক্ষ্য নিয়ে কথা বলুন। ভবিষ্যতে আপনাদের সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত না গড়ালেও দারুণ সুন্দর বন্ধুত্ব গড়ে উঠবে দুজনের মধ্যে!

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »