বার্তাবাংলা ডেস্ক »

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ৬ কমিউনিটি ক্লিনিকে গত এক বছর ধরে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) নেই। ফলে হাসপাতালগুলো বন্ধ থাকায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রায় ২৫ গ্রামের মানুষ।জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেন। সেসময় প্রতি ৩ গ্রামে একটি করে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়। এসব ক্লিনিকগুলোতে একজন সিএইচসিপি এবং একজন পিয়ন নিয়োগ দেয়া হয়।সেই ধারাবাহিকতায় মির্জাপুরেও তখন ৫৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়। এরমধ্যে লতিফপুর ইউনিয়নের বরদাম, উয়ার্শী ইউনিয়নের উত্তর রোয়াইল, তরফপুর ইউনিয়নের তরফপুর, বাঁশতৈল ইউনিয়নের সোনালিয়া এবং বানাইল ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের ৬ কমিউনিটি ক্লিনিক গত এক বছর ধরে বন্ধ রয়েছে।

এরমধ্যে ৫ ক্লিনিকের সিএইচসিপি অন্যত্র চাকরি নিয়ে চলে গেছেন। আর উত্তর রোয়াইল ক্লিনিকের সিএইচসিপিকে গত এক বছর ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান কর্মকর্তার দায়িত্ব দিয়ে সেখানে প্রেষণে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।এছাড়া উয়ার্শী ইউনিয়নের উত্তর রোয়াইল কমিউনিটি ক্লিনিকের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কাছে ৮ হাজার ১৫৬ টাকা বিল বকেয়া হয়েছে। ক্লিনিকটি এক বছর ধরে বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ লাইনটিও কেটে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।উয়ার্শী ইউপি সদস্য ও কমিউনিটি ক্লিনিক পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শহিদুর রহমান, সদস্য মোজাম্মেল দেওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী বোরহান উদ্দিন, করিম দেওয়ান ও লতিফ বলেন, রোয়াইল, ধুপাটিয়া, ঝাইপাড়া, বর্ধনপাড়া, খৈল সিন্দুর ও ভাওড়া গ্রামের শত শত রোগী চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মাঝে মধ্যে সোমবারে মোর্শেদা নামে এক ব্যক্তি ক্লিনিকে বসলেও ওষুধ দিতে পারেন না বলে রোগীরা এসেও চলে যান।এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, উত্তর রোয়াইল কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি প্রেষণে তার অফিসে পরিসংখ্যান কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। তবে বাকি ৫টি ক্লিনিকে সিএইচসিপি নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »