বার্তাবাংলা ডেস্ক »

তানজানিয়ায় ফেরিডুবির ঘটনায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ২০৯ জনে। কর্মকর্তারা বলছেন আরো বেশ কিছু মৃতদেহ উদ্ধার হতে পারে। এ ঘটনায় ওই ফেরির ক্যাপ্টেনকে আটক করা হয়েছে এবং অন্যান্যদেরও আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দেশটির লেক ভিক্টোরিয়ায় এ ফেরিডুবির ঘটনা ঘটে।তানজানয়িার প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলি জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, ক্যাপ্টেন ফেরিটি নিজে না চালিয়ে এমন এক্জন ব্যক্তির হাতে চালানোর দায়িত্ব দিয়েছিলেন যার অভিজ্ঞতা নেই। তাকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং ওই ফেরিতে কাজ করা সব কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রীয় মুখপাত্র হাসান আব্বাস বলেন, শনিবার পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ২০৯ এ এছাড়া আরো বেশ কিছু মরদেহ উদ্ধার হবে বলে জানান তিনি।এ ঘটনায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট জন মাগুফুলি চার দিনের শোক ঘোষণা করেছেন। প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন বলছে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু খুব শীঘ্রই তদন্তের মাধ্যমে এর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে বলে জানান তিনি।তবে এটা এখনো নিশ্চিত না যে ফেরিটি ঠিক কতজন যাত্রী ছিলো। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে ১০০জন যাত্রী পরিবহণের উপযোগী হলেও ফেরিটিতে ৪০০ জনা যাত্রী তোলা হয়েছিলো।পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ায় প্রায়ই ফেরি ডুবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর আগে ২০১২ সালে জানজাবির দ্বীপে যাত্রী পরিবহনের সময় ভারত মহাসাগরে ফেরি ডুবে অন্তত ১৪৫ জন নিহত হয়। তার আগের বছর একই দ্বীপে ফেরি ডুবির ঘটনায় দুই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়।এছাড়া ১৯৯৬ সালে লেক ভিক্টোরিয়ায় এমভি বুকোবো নামের একটি ফেরি ডুবির ঘটনায় আট শতাধিক মানুষ মারা যায়। যা ছিলো গত শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ফেরি দুর্ঘটনা।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »