বার্তাবাংলা ডেস্ক »

Dating App

পিএসজি তারকা নেইমার হুটহাট দু-একটা ঝলক দেখালেও গোলের দেখা পাননি। ম্যাচে সমান তালেই লড়ে গেছে দুই দল। স্ট্যাট দেখলে তা-ই মনে হবে যে কারও। লিভারপুলের পায়ে বল ছিল ৫৩ শতাংশ সময়। বাকি সময়ে পিএসজি নিজেদের পায়ে বল রেখে গোলমুখে শট নিয়েছে মাত্র ৯টি, লক্ষ্যে ছিল ৫টি। অন্যদিকে লিভারপুল গোলমুখে শট নিয়েছে ১৭টি। এর ৭টি ছিল লক্ষ্যে। তবে খেলা যারা দেখেছেন তারা নিশ্চিতভাবেই লিভারপুলকেই এগিয়ে রাখবেন। পুরো ম্যাচে আধিপত্য ছিল ইংলিশদেরই। তুলনামূলক বিবর্ণ ছিল ফরাসি ক্লাবটি। শুরুতে এগিয়ে থেকে একটা সময়ে পিছিয়ে পড়া লিভারপুল শেষতক জিতেছে ৩-২ গোলের ব্যবধানে।

এই দুই ক্লাবের আক্রমণ ভাগকে ক্লাব ফুটবলের আগুনে আক্রমণ ভাগ বলা হয়। এক পাশে নেইমার-কাভানি-এমবাপ্পে তো আরেক পাশে সালাহ-স্টারিজ-মানে। অ্যানফিল্ডের এ মাথা ও মাথা আগুনঝরা ফুটবল দেখতে পাবেন দর্শকেরা এমনটা আঁচ করা গিয়েছিল আগেই। হয়েছেও তাই। চোখের সমস্যায় একাদশে ছিলেন না ফিরমিনো।

তাঁর জায়গায় ইয়ুর্গেন ক্লপ মাঠে নামান ড্যানিয়েল স্টারিজকে। গুরুকে হতাশ করেননি শিষ্য, ম্যাচের ৩০ মিনিটে তাঁর গোলেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। ৩৬ মিনিটে সফল স্পট কিক থেকে গোল ব্যবধান বাড়ান জেমস মিলনার। প্রথমার্ধেই গোল ব্যবধান কমায় অতিথিরা। ৪০ মিনিটে মুনিয়েরের গোলে খেলায় ফেরে পিএসজি। ২-১ স্কোরলাইন নিয়েই প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরতে মরিয়া পিএসজির খেলোয়াড়েরা একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সফলও হয় তাঁরা। ৮৩ মিনিটে এসে এমবাপ্পের গোলে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে পিএসজি। নেইমারের পাস থেকে বিশ্বকাপে আলো ছড়ানো ফরাসি তারকা দুর্দান্ত গোল করেন। লিভারপুল সমর্থকদের মন তখন হতাশার কালো মেঘে ঢেকে যায়। তবে মেঘের আড়ালে থাকা সূর্য উঁকি দিতেও বেশি সময় লাগেনি। প্রথমার্ধে গোল দেওয়া স্টারিজকে তুলে নিয়ে ফিরমিনোকে নামান ক্লপ। গুরুকে হতাশ করেননি তাঁর এই শিষ্যও। যোগ হওয়া সময়ে ব্রাজিলিয়ান এই তারকার গোলেই পুরো পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল। অথচ ফিরমিনোর খেলতে পারা নিয়েই ছিল সংশয়!

গ্রুপ ‘সি’-এর রেড স্টার ও নাপোলির খেলাটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে। এই গ্রুপে এখন পর্যন্ত শীর্ষে আছে

Dating App
শেয়ার করুন »

Comments are closed.