বার্তাবাংলা ডেস্ক »

নিরাপদ সড়কের দাবিতে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে পথচারীদের রাস্তায় চলাচলে সচেতন হতে ও আইন মানার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনেকটা আক্ষেপের সুরে তিনি বলেছেন, এ রকম একটি আন্দোলনের পরও মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হয়নি।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের সদস্য নূর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরীর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সংসদনেতা শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরুর পর প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।
সড়ক দুর্ঘটনার জন্য ক্ষেত্রবিশেষে পথচারী ও যাত্রীদের দায়ী করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘গাড়িচালকদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। যেখানে-সেখানে রাস্তা পার হলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলেই দুর্ঘটনা থামবে। না হলে থামবে না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের একটি অদ্ভুত মানসিকতা আছে, যেখানে-সেখানে রাস্তা পার হতে চায়। ছোট ছোট শিশুদের হাত ধরে রাস্তায় চলে যায়, যেখানে অনবরত গাড়ি চলছে। একটি দ্রুতগতির গাড়ি হাত দেখানোর সঙ্গে সঙ্গেই থেমে যেতে পারে না। কাছেই ফ্লাইওভার বা আন্ডারপাস থাকলেও সেখানে না গিয়ে হুট করে দৌড় দিয়ে রাস্তা পার হতে চায়। ফলে দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা ঘটলে যারা রাস্তা পারাপার করছে, তাদের দোষ কতটুকু, সেটাও দেখা দরকার।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘রাস্তা পারাপারের সময় আমি মনে করি সকলকে অন্তত ট্রাফিক আইনটা মেনে চলা উচিত। এত বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটল, এ রকম একটা আন্দোলন হলো, তারপরও আমরা দেখি, মানুষের মধ্য সেই সচেতনতা নাই। যত্রতত্র রাস্তা পার হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে বা গাড়িতে ধাক্কা লাগলে গাড়ির চালক জীবন বাঁচাতে দ্রুত চলে যেতে চেষ্টা করে। ফলে যার বাঁচার সম্ভাবনা ছিল, সেও বাঁচে না। কারণ এ ধরনের ঘটনায় আহতকে বাঁচানোর চেয়ে চালককে টেনে নামিয়ে মারধর করার আগ্রহই মানুষের বেশি থাকে। আইন কারও হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়। মারধর বন্ধ হলে অনেক দুর্ঘটনা কমে যায়।’
ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে এক বাবার সড়ক প্রতিবন্ধক বেড়া ডিঙিয়ে রাস্তা পারাপারের একটি ছবির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সচেতনতার যথেষ্ট অভাব আম%

শেয়ার করুন »

Comments are closed.