উন্নয়নের নজির স্থাপনের ঘোষণা সালাম মুর্শেদীর

সালাম মুর্শেদীর

এমপি হিসেবে শপথ নেয়ার পরই উন্নয়নের নজির স্থাপনের ঘোষণা দিলেন খুলনা-৪ আসনের (রূপসা-তেরখাদা-দীঘলিয়া) আওয়ামী লীগের এমপি আব্দুস সালাম মুর্শেদী।

শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমার এলাকা তথা খুলনার নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের একটি নজির স্থাপন করতে চাই। আমি হয়ত এত কম সময়ে সবকিছু পারব না, তবে কিছু কাজ শুরু করতে পারব।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সংসদ ভবনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাকে শপথ বাক্য পাঠ করানোর পর উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আ.ই.ম গোলাম কিবরিয়া।

সালাম মুর্শেদী বলেন, আমার এলাকার উন্নয়নে ইতোমধ্যে একটি স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। সেই সঙ্গে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে আমি চাইব মোংলা বন্দর পুরোপুরি কাজে লাগাতে। সেজন্য যেখানে যা করা দরকার আমি তাই করব।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন বাস্তবে রূপ নেয়ার পথে। এই সেতু চালু হলে মোংলা বন্দর হবে অর্থনীতির একটি বড় প্রাণ। মোংলা বন্দর এক সময় অকেজো হয়ে পড়েছিল। তা এখন পুরোপুরি সচল। এই বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনেক কিছুই আছে। সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্য হিসেবে মোংলাকে কার্যকর বন্দরে রূপ দিতে আমি চেষ্টা করব।

তিনি বলেন, আমি আপনাদের (সাংবাদিক) স্মরণ করিয়ে দিতে চাই জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন শাসক নন, তিনি জনগণের সেবক হিসেবে রাত-দিন কাজ করছেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ আজ বিশ্বের বুকে সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। আমি তাকেই অনুসরণ করব। আমি শাসক হতে চাই না, হতে চাই জনগণের সেবক।

সংসদের কর্মকর্তারা জানান, দশম জাতীয় সংসদের তিনিই সর্বশেষ এমপি। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার পর নতুন এমপিরা শপথ নেয়ার আগ পর্যন্ত তিনি এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন।

প্রসঙ্গত, সালাম মুর্শেদীর বাড়ি খুলনার রূপসা উপজেলায়। তিনি বাংলাদেশে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ইএবি) সভাপতি, এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি।

আওয়ামী লীগ খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যুতে শূন্য ঘোষিত খুলনা-৪ আসনের উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত ছিল ২০ সেপ্টেম্বর। কিন্তু ওই আসনে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় তাকে ২৬ আগস্ট বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।