নতুনরা অভিজ্ঞতা পাবেন কোথায়?

নতুনরা অভিজ্ঞতা

অভিজ্ঞতার এ অভাবকে একটু গভীরভাবে দেখতে হবে। চাকরিদাতারাও জানেন, আপনি একজন ফ্রেশার, চাকরির অভিজ্ঞতা আপনার নেই। তবে কিসের অভিজ্ঞতা দিয়ে আপনি চাকরিদাতাকে ওই গুণগুলো সম্পর্কে জানাতে পারেন।

এ সম্পৃকতাই আপনার টিম ওয়ার্ক, লিডারশীপ, ডেডিকেশন, ক্রিয়েটিভিটি, প্রব্লেম সল্যুশন, কমিউনিকেশন ক্ষমতাকে জানান দিবে। সিলেবাসের বাইরের কার্যক্রমগুলোর সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখা সহজ নয়, তাই আপনাকে আপনার সময় সঠিকভাবে পরিকল্পনা করতে হয়। এ কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার ফলে নিজের উপর আত্মবিশ্বাস জন্ম নেয়। কাজগুলো জানান দেয়, আপনি মাল্টি টাস্কিংয়ে দক্ষ।

বাইরের দেশে গতানুগতিক পড়ালেখার পাশাপাশি প্রচুর ক্রিয়েটিভ এবং এক্সট্রা কারিকুলার করায়। যারা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞতার সাথে এক্সট্রা কারিকুলারে জড়িত, তারা বরাবরই সম্ভাব্য নিয়োগকর্তাদের কাছে আকর্ষণীয়।

আমাদের দেশের সিলেবাসে এক্সট্রা কারিকুলারের ঠাঁই নেই, যদিও বর্তমানে বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ মাধ্যম অনুসরণ করছে। যেহেতু আমাদের সিলেবাসে নেই, তাই আমরা পড়ালেখা করেই কাটিয়ে দিতে চাই। তাহলে কিন্তু অভিজ্ঞতার প্রশ্ন থেকেই যাবে।

শুধু এক্সটা কারিকুলার না, এর সাথে সাথে পার্ট টাইম জব, ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ, ছোটখাট ব্যবসা কিংবা মিডিয়ার সাথে কাজ করা- সবকিছুই অভিজ্ঞতার ভান্ডারে যুক্ত হবে।
সিলেবাসের শিক্ষা শুধু আপনাকে বেসিকটা জানতে সাহায্য করবে, সূত্র বাতলে দিবে। এই বেসিক জ্ঞান দিয়ে, সূত্র দিয়ে সমাধান করা শিখাবে সিলেবাসের বাইরের শিক্ষা। শুধু বইয়ে আবদ্ধ হয়ে থাকলে জ্ঞানটাই অর্জন হবে, তার প্রয়োগের পন্থা জানা হবে না।

ইন্টারভিউ বোর্ডে যেন বলতে পারেন, আপনার দলের সাথে আমার কাজ করার ক্ষমতা আছে। আমি একজন যোগ্য ক্যান্ডিডেট। সুতরাং শুধু বই নয়, বইয়ের বাইরের দুনিয়াকে চিনতে হবে এবং যতটা সম্ভব সিলেবাসের বাইরের দুনিয়া থেকে নিজেকে শানিয়ে নিতে হবে।