জয়ের পরও অস্বস্তিতে বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ফুটবল

শেষ দিকে বৃষ্টিতে ভিজেছে দর্শকরা। তারপরও বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে ঘরে ফিরেছে খুশি মনেই। ২৩ মাস আগে ভুটানের কাছে হারার প্রতিশোধ- দর্শকদেরতো খুশি হওয়ারই কথা।

বাংলাদেশের এ দলটিকে যে গড়ে তুলেছেন সেই ইংলিশ কোচ জেমি ডে কি খুশি হয়েছেন? জিতলে সব কোচই খুশি হন। বাংলাদেশ কোচও হয়েছেন। তবে একটা অস্বস্তি কিন্ত আছে জেমি ডে’র। ম্যাচ জিতলেও ছেলেদের পারফরম্যান্সতো আহামরি কিছু ছিল না।

ম্যাচপরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কোচের শারীরিক ভাষাই বলছিল তিনি জিতে খুশি হলেও দলের খেলার ধরনে স্বস্তিতে নেই। কারণ, গ্রুপে বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষও শক্ত। ভুটানের বিরুদ্ধেই যেখানে ছেলেদের খেলা ছন্দহীন সেখানে পরের দুই ম্যাচে কী করবে জামালরা সে দুশ্চিন্তাতো থাকছেই কোচের।

জেমি ডে পরের দুই ম্যাচকে ‘টাফ’ মনে করছেন। পাকিস্তান ও নেপালকে হারানো যে সহজ হবে না তা তিনি বুঝতে পেরেছেন। সংবাদ সম্মেলনে হাসি মুখে ঢুকলেই সে হাসির আড়ালে যে একটা অস্বস্তি ছিল তা ঢের বোঝা গেছে।

নীলফামারীতে শ্রীলঙ্কার কাছে ম্যাচ হেরেছিল গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেলের ব্যর্থতায়। সেই সোহেলকে সাফের প্রথম ম্যাচে একাদশে রাখা নিয়ে প্রশ্ন উঠলো সংবাদ সম্মেলনে। আশরাফুল ইসলাম রানাকে রেখে কেন একাদশে সোহেল? কোচের উত্তরের সারাংশ ছিল ‘সোহেল লম্বা বলেই তাকে বিবেচনা করা হয়েছে।’

তবে ম্যাচ জয়ের পর নেতিবাচক কিছু চিন্তা না করতে অনুরোধও করেছেন কোচ, ‘ছেলেরা ভালো খেলেছে। পরিশ্রম করেছে। হয়ে যাওয়া ম্যাচ নিয়ে নয়, আমাদের ভাবনা এখন পরের দুই ম্যাচ নিয়ে।’