সোমবার থেকে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধের হুমকি বায়রার » Leading News Portal : BartaBangla.com

বার্তাবাংলা ডেস্ক »

BAIRAবার্তাবাংলা রিপোর্ট :: শক্তি রফতানি খাতের সব সদস্যের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা) সোমবার ৮ এপ্রিল থেকে জনশক্তি রফতানি সংক্রান্ত সকল প্রকার সেবা প্রদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রোববার রাজধানীতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বায়রা’র সভাপতি শাহজালাল মজুমদার।

সরকার বেসরকারি খাতের গুরুত্ব অনুধাবন করে রফতানি খাতের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে দিক-নির্দেশনা প্রদান করলেই সেবা প্রদানের সিদ্ধান্তে ফিরে আসবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

বায়রা’র সভাপতি শাহজালাল মজুমদার বলেন, “সরকারের সঙ্গে আলোচনার সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বায়রা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার যদি মনে করে, লোক পাঠানোর ক্ষেত্রে তারাই যথেষ্ট তবে সরকারই এ কাজ করুক। আমরা আপাতত জনশক্তি রফতানি বন্ধ রাখছি।”

শাহজালাল অভিযোগ করে বলেন, “বায়রা জনশক্তি রফতানির নতুন বাজার অনুসন্ধান করে সরকারকে জানানোর পর জনশক্তি রফতানি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করি। কিন্তু সরকার এই সময় জি টু জি (সরকারি পর্যায়ে চুক্তি) সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে জনশক্তি পাঠানোর উদ্যোগ নেয়। এর ফলে জনশক্তির বাজার সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে।”

তিনি বলেন, ‘‘থাইল্যান্ড, কাতার, মালয়েশিয়া, হংকংসহ বিভিন্ন দেশে শ্রম বাজার অনুসন্ধান করে সরকারকে অবহিত করি। কিন্তু এক্ষেত্রেও সরকার বায়রা’কে পাশ কাটিয়ে জি টু জি জনশক্তি রফতানির জন্যে সমঝোতা চুক্তি করে।

সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে বেসরকারি খাতকে জনশক্তি রফতানির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বেসরকারি খাতে অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, “আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সরকার যৌক্তিক ব্যয় নির্ধারণ করে দিলে আমরা তা মেনে চলবো।”

এক প্রশ্নের জবাবে বায়রা মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, “জনশক্তি রফতানি শুধু সরকার বা শুধু প্রাইভেট সেক্টরের পক্ষে সম্ভব নয়। বায়রা সরকারের নিবিড় তত্ত্বাবধানে জনশক্তি রফতানি করে। এজন্য সরকারের উচিত, বায়রাকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা। তবেই এ সেক্টরের সকল সংকট দূর করা সম্ভব।”

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

আমি ফারজানা চৌধুরী তন্বী। লেখালিখি করি ফারজানা তন্বী নামে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করার পর আজ প্রায় পাঁচ বছর ধরে লেখালিখির সঙ্গেই আছি। বার্তাবাংলা’য় কাজ করছি সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে। আমার বিশেষ আগ্রহের ক্ষেত্র ফিচার, প্রযুক্তি আর লাইফস্টাইল। ভালো লাগে ভ্রমণ, বইপড়া, বাগান করা আর ইন্টারনেট নিয়ে পড়ে থাকা :)

মন্তব্য করুন »