বার্তাবাংলা ডেস্ক »

দেশজুড়ে হিংসা-বিদ্বেষের ঘটনা আটকাতে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিক মাধ্যমের দৌলতে যে কোনো ছোট বিষয়কে বড় করে দেখানোটা এখন দৈনন্দিন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এই প্রবণতা কমাতেই এবার আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

সামাজিক মাধ্যমের প্লাটফর্ম গুলোতে কোনও ধরনের হিংসামূলক বা বৈষম্যমূলক বার্তা ছড়ানো হলে আইনি পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্র। ইতোমধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুকে ভুয়া তথ্যের কারণে প্রচুর হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে যার ফলে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে এ বিষয়ে একটি চুড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করা হবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। বিদ্বেষমূলক বার্তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্সও গঠন করা হবে। সামাজিক মাধ্যমে বিদ্বেষমূলক বার্তা না ছড়ানোর জন্য বুধবারও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

মোদি বলেন, আমাদের সবার এ বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিত। দেশ সম্পর্কে আমাদের আরও ইতিবাচক খবর প্রচার করা উচিত এবং এমন সব তথ্য প্রকাশ করা উচিত যা আমাদের সমাজকে আরও শক্তিশালী করবে।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় লোকজন ভুয়া নিউজ শোনে বা দেখে আর সাথে সাথেই সেটা সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করে। কিন্তু তারা এটা ভেবে দেখে না যে এর ফলে তারা সমাজের কত ক্ষতি করছে। কিছু মানুষ এমন শব্দ ব্যবহার করে যা সভ্য সমাজে ব্যবহার করা উচিত নয়। অনেকেই আবার নারীদের সম্পর্কেও যা তা লেখে।

মোদি বলেন, এটা কোন রাজনৈতিক দল বা আদর্শের বিষয় নয় বরং এটা সব ভারতীয়র জন্যই। প্রত্যেকেরই নিজেকে এভাবে তৈরি করতে হবে যেন কখনওই নোংরা কিছু তাদের মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমে না ছড়ায়।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »