২৫ বছর পার করলেন আঁখি » Leading News Portal : BartaBangla.com

বার্তাবাংলা ডেস্ক »

DSC_0100বার্তাবাংলা ডেস্ক : ১৯৮৪ সালে ভাত দে’ ছবিতে অভিনয় করে শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন আঁখি আলমগীর। সেই সুবাদে ক্যারিয়ারের ২৫ টি বছর পার করলেন আঁখি। ১৯৯৭ সালে তার প্রথম একক অ্যালবাম প্রথম কলি প্রকাশিত হয়। সেই সফল যাত্রায় এখন পর্যন্ত ১৭টি একক অ্যালবাম রিলিজ হয়েছে তার। সাম্প্রতিক সময়ে তার ব্যস্ততা আরো বেশি, রিয়েলিটি শো পাওয়ার ভয়েজ-এর উপস্থাপনা করছেন তিনি। নতুন একক অ্যালবামের কাজও শুরু করেছেন শওকত আলী ইমনের সুর-সঙ্গীতে। আখি আলমগীরের সঙ্গে কথা বলে আরো বিস্তারিত জানাচ্ছেনÑ আশিক বন্ধু

‘প্রথম কলি’। আঁখি আলমগীরের প্রকাশিত প্রথম একক অ্যালবামের নাম। সেই কলি ফুটতে ফুটতে আজ হলো বিরাট এক ফুল। আখির গানের বাগানে মিষ্টি সুরের আবেশ। এ আবেশে ধন্য শ্রোতারা আখির কাছ থেকে পেয়েছেন অনেক জনপ্রিয় গান। পড়ন্ত বিকেলে আকাশের মনও বদলায়। বর্ণিল আমেজে সাজে আকাশ।

ছোটবেলা থেকে গানের জম্পেশ আবহে তার বেড়ে ওঠা। হাতের নাগালে পেয়েছেন সঙ্গীতের সুর-তাল-লয়ের সবকিছু। সারাদিন যেখানেই কান চলে যায়, সেখানেই সুরের আওয়াজ। ভেসে আসা সুর হৃদয় ঘরেই গানের সুরেলা মায়ায় জড়াতো। সেই শিশুশিল্পী থেকে আজকের আখি আরো যেন প্রানবন্ত। সাফল্যের বিশাল জগত তার গানের ভুবনে। নিজেকে নিয়ে এসেছেন সঙ্গীতের গভীরতায়। গান নিয়ে স্বপ্ন জয় হলো, তবুও কান্তিহীন আখি চলছেন আরো দুরন্ত সময়ে। যেখানে সুরেলা ঢেউ তাকে ছুঁয়ে যায়। প্রাপ্তির হাসি ঠোঁটের কোণে লাজুক হয়ে ঝরে। তবুও মন ডুবে যায় সুরের সমুদ্রে। দীর্ঘ গানের ক্যারিয়ারে এখনো সমানতালে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন তিনি।

উপস্থাপনা কেমন উপভোগ করছেন? জবাবে আঁখি বলেন, দারুণ। কারণ সঙ্গীত বিষয়ক প্রোগ্রামে উপস্থাপনা করা মানেই তো সঙ্গীতের সঙ্গে মিশে থাকা। তাছাড়া নতুনদের গান শুনছি, তাদের মেধা, স্বপ্ন ও আশাগুলো একদিন প্রসারিত হবে। সুন্দর একটা সময় কাটাাচ্ছি। নতুন একক অ্যালবামের কাজ কতোদূর হলো? এ প্রশ্নের জবাবে আঁখি আলমগীর বলেন, ইতোমধ্যে ৩ টি গান তৈরি হয়েছে। আমার নতুন একক অ্যালবামের সব কয়টি গানের সুর-সঙ্গীত করছেন শওকত আলী ইমন। ভালোভাবেই কাজ শেষ করে প্রকাশ করবো। কোনো তাড়া নেই, সময় নিয়ে মনের মতো করেই গানগুলো করবো। আশা করছি ভালো একটা অ্যালবাম দাঁড়াবে এবার। তবে যথেষ্ট সময় নিয়ে কাজ করতে চাই। ভালো গানের জন্য আস্তে, ধীরে কাজ করতে পারলেই সৃষ্টিটাও মধুর হয়। তাছাড়া শ্রোতাদের নিয়েই আমার গানের ভুবন।

সিনেমার গানে কেমন উপভোগ করেন? এ প্রশ্নের জবাবে আঁখি বলেন, সিনেমার গানে দারুণ একটা অনুভূতি থাকে। গাইতে তাই ভালো লাগে। নিজের দরদ, আবেগ সব কিছুতে নিজেকে সঁপে দিয়ে প্লেব্যাক করতে হয়। সম্প্রতি দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর হেডমাস্টার ছবির টাইটেল সংয়ে কণ্ঠ দিলাম। মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের কিছু আশা কিছু ভালোবাসা ছবির একটা আইটেম গানে কণ্ঠ দিয়েছি। তাছাড়া আরো কিছু শিডিউল হাতে আছে।

উল্লেখ্য, আঁখির প্লেব্যাক জীবন শুরু হয়েছিল ১৯৯৪ সালে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত বিদ্রোহী বধূ ছবির মাধ্যমে। সেই সময় আঁখি আলমগীর পড়াশুনা করতেন ইন্টামিডিয়েটে। তারপর থেকে দুরন্ত পথচলা। সুমধুর কণ্ঠে শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে গেলেন। স্বপ্ন তাকে ভালোবাসার নিবিড় বন্ধনে জড়ালো। প্লেব্যাক জীবনের দীর্ঘ সময়ে এ পর্যন্ত আনুমানিক ১২০-১২৫টি সিনেমায় গান গেয়েছেন তিনি। উপহার দিয়েছেন অনেক জনপ্রিয় গান।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »