বার্তাবাংলা ডেস্ক »

মার্কিন ধর্মযাজক অ্যান্ড্রিউ ব্রুনসনকে মুক্তির আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে তুরস্কের আদালত। সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে বর্তমানে তুরস্কে গৃহবন্দি রয়েছেন ওই মার্কিন ধর্মযাজক। এর আগেও দু’বার তার মুক্তির আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়।

সম্প্রতি ওয়াশিংটনের তরফ থেকে হুমকি দেয়া হয়েছে যে, ওই যাজককে মুক্তি দেয়া না হলে তুরস্কের বিরুদ্ধে আরো বেশি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে। ব্রুনসনকে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের মধ্যে কূটনৈতিক বৈরিতা শুরু হয়।

শুক্রবার ইজমিরে উচ্চ আদালতের এক রায়ে বলা হয়েছে, মার্কিন যাজক ব্রুনসনকে গৃহবন্দীই থাকতে হবে। তার কারাদণ্ড তুরস্কের মাটিতেই ভোগ করতে হবে। এর আগে চলতি সপ্তাহে নিম্ন আদালতেও একই রায় ঘোষণা করা হয়। তবে ব্রুনসনের আইনজীবী জানিয়েছেন, তিনি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আবারও তার মক্কেলের মুক্তির জন্য আবেদন করবেন।

২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই বছরের অক্টোবরে ব্রুনসনকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে ৩৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তার ৩৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

শুক্রবার তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী রুসার পেকান বলেন, যে কোন ধরনের নতুন বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার জবাব দেবে তার দেশ।যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক যুদ্ধের কারণে সম্প্রতি তুরস্কের নিজস্ব মুদ্রা লিরার মান কমে গেছে। গত জানুয়ারি থেকে ডলারের পরিবর্তে লিরার মান এক তৃতীয়াংশ ধস নেমেছে।

বৃহস্পতিবার মার্কিন রাজস্ব সচিব স্টিভেন মুচিন বলেন, তারা যদি ধর্মযাজন ব্রুনসনকে ছেড়ে না দেয় তবে আমাদের আরও কিছু করার পরিকল্পনা আছে।

এক টুইটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তুরস্ক বহু বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সুবিধা গ্রহণ করে আসছে আর তারা ব্রুনসনকে জিম্মি করে রেখেছে। তুরস্কের সঙ্গে আগের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »