বার্তাবাংলা ডেস্ক »

ভারতের কেরালা প্রদেশে টানা বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৯ জনের দাঁড়িয়েছে। বন্যা পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতি হতে থাকায় ও কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

রাজ্যের বেশ কয়েকটি নদীর বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে অনেক বাড়ি-ঘর ভেসে গেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। কেরালার পাথনমথিটা, এরনাকুলম, ইদুকি, মালাপুরম, পালাকাদ, থ্রিসুর এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ভারতীয় আবহাওয়া অফিস।

এছাড়াও রাজ্যের আলাফুজা, কোলাম, কোটায়মে কমলা এলাকায় বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে আগামী ২৬ অাগস্ট পর্যন্ত কেরালার কোচি বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা করেছে কর্তৃপক্ষ।
রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ভারতের বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোচি বিমানবন্দর চালু করা হবে না বলে জানিয়েছে। তবে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে আগামী শনিবার বিমান চলাচলের অনুমতি দেয়া হতে পারে।

রাজ্যের রেল যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। ব্যাঙ্গালুরু থেকে কেরালাগামী রুটের সর ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রশমন বিভাগের কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার বলেন, কেরালার বন্যাক্রান্ত ৭ জেলা থেকে আটকে পরাদের বিমানযোগে উদ্ধার করা হচ্ছে।

কেরালার চালাকুদি, পেরিয়ার, আলুভা নদী তীরবর্তীর দেড় কিলোমিটারের মধ্যে থাকা বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

এদিকে, কেরালার ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় পাশে দাঁড়িয়েছে দেশটির অন্যান্য রাজ্যও। কেরালা সরকারকে ৫ কোটি টাকার ত্রাণ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন ওড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক।

সূত্র : জিনিউজ, এনডিটিভি।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »