বার্তাবাংলা ডেস্ক »

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সুষ্ঠু পরিকল্পনা থাকলেও কতিপয় হজ এজেন্সির হঠকারিতার কাছে বরাবরের মতো এবারও পরাস্ত বিমান। সময় শেষ হয়ে এলেও এখনো প্রায় আটটি হজ ফ্লাইটের টিকিট অবিক্রীত রয়েছে। ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত হজযাত্রী না পাওয়ায় ১৬টি হজ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাকি হজ ফ্লাইট নিয়েও বাড়ছে শঙ্কা।

জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও হজ এজেন্সিগুলোর গাফলতির কারণে সৌদি আরবে বাড়িভাড়া করা হয়নি। এছাড়া হজযাত্রীদের ভিসা জটিলতা টিকিট বিক্রির উপর প্রভাব পড়েছে। যে কারণে শেষ সময়ে এসে দশ হাজার হজযাত্রীর চলতি বছর হজ পালনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হাব ও হজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, হজের জন্য নিবন্ধন করলেও ভিসা জটিলতা, অসুস্থতা এবং ব্যক্তিগত নানা কারলে বাংলাদেশ থেকে এবার ৬২৭ জন হজে যেতে পারছেন না। আগামী ১৬ আগস্ট শেষ হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চলতি বছরের প্রাক হজ ফ্লাইট। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বিমানের ১৪ ও ১৫ আগস্টের আটটি ফ্লাইটের টিকিট এখন পর্যন্ত খুব সামান্যই বিক্রি হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মুখপাত্র শাকিল মেরাজ বলেন, বিমানের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে। তবে এখনো নির্ধারিত যেসব ফ্লাইটের টিকিট অবিক্রীত রয়েছে, সেগুলো বিক্রি না হলে সমস্যা হবে।

তবে বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হাবের মহাসচিব শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, বিমানের টিকিট অবিক্রীত থাকলে সেটি বিমানের সমস্যা, এ জন্য বিগত বছরের মতো হজযাত্রীদের যাত্রায় কোনো সমস্যা হবে না। যারা নিবন্ধন করেছেন, সবাই হজে যেতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ভয়ের কোনো কারণ নেই। হজযাত্রীদের খুব কাছে থেকে সহযোগিতা করে আসছে হাব। অনিশ্চিত অনেক হজযাত্রীকে হাব দায়িত্ব নিয়ে ভিসা করিয়ে যাত্রা নিশ্চিত করেছে।

গত ১৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট। ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন হজযাত্রীর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার ৭৯৮ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জন সৌদি আরব যাবেন। হজ শেষে হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে আগামী ২৭ আগস্ট।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »