বার্তাবাংলা ডেস্ক »

আবার কাঠের সঙ্গেও সে ধরনের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে ফুলটির নাম ‘কাঠ গোলাপ’ দেওয়া হয়েছে। সে যা-ই হোক, আমরা বরং জেনে নেব কাঠ গোলাপের কাটিং পদ্ধতি।

কাটিং: কাটিং করার জন্য নেওয়া ডাল কমপক্ষে ১২ ইঞ্চি লম্বা হওয়া উচিত। নির্বাচিত ডালটি ধারালো কিছু দিয়ে কেটে নিতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, কাঁটা অংশে যেন ময়লা না থাকে। তাতে কাটিং পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এরপর ডালের পাতাগুলো গোড়ার কাছ থেকে কেটে দিন। টেনে একদম গোড়া থেকে ছিঁড়ে ফেলবেন না। ডালটিকে ছায়াযুক্ত স্থানে ৭-৮ দিন রেখে দিন। এ কয়দিনে ডালের কাটা অংশ শুকিয়ে কালো বা খয়েরি হয়ে যাবে এবং কেটে দেওয়া পাতার বোঁটার থেকে যাওয়া অংশও ঝরে যাবে।

রোপণ: এবার ডালটি রোপণের জন্য উপযুক্ত। রোপণের জন্য মাটি প্রস্তুত করে যে পাত্রে লাগাবেন তা ভরাট করুন। মিনারেল ওয়াটারের পাঁচশ’ মিলির বোতলের মাথা কেটে এবং তার নিচে বেশকিছু ছিদ্র করে পাত্র তৈরি করা যায়। স্বচ্ছ পাত্র নিলে সুবিধা হচ্ছে- রুটিং হলে দেখতে পাবেন। এবার ডালটির গোড়ার চার ইঞ্চি মতো রুটিং হরমোন মাখিয়ে মাটিতে রোপণ করে দিন। রুটিং হরমোন না থাকলে মধু ও দারচিনি গুঁড়া ব্যবহার করতে পারেন।

পরিচর্যা: রোপণ করা ডালটি আলো-বাতাস যুক্ত স্থানে রেখে দিন। পানি এমন মাত্রায় দিবেন যেন পানি জমে না থাকে। এক মাসের মধ্যেই রুট আর পাতার দেখা পাবেন। তিন-চার মাস পর গাছটি বড় কোনো পাত্রে বা মাটিতে রোপণ করে দিন। ফুল ফোটার জন্য কাঠ গোলাপের প্রচুর রোদের প্রয়োজন হয়। দৈনিক কমপক্ষে চার-পাঁচ ঘণ্টা সরাসরি রোদ লাগে এমন জায়গায় গাছ লাগানো উচিত।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »