বার্তাবাংলা ডেস্ক »

 

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন টেরি বুচার। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁকে বিবেচনা করেনি
ভাগ্যিস, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হওয়ার সুযোগ হয়নি ইংল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক টেরি বুচারের। ইংলিশ এই অধিনায়ক বাংলাদেশের কোচ হলে কী যে হতো, তা বলাই দায়!

হুট করে অ্যান্ড্রু ওর্ড চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন বেশ কয়েকজন বিদেশি কোচ। ছোট সেই তালিকায় নাম ছিল টেরি বুচারেরও। কিন্তু বাংলাদেশ তাঁরই স্বদেশি জেমি ডেকে বেছে নেওয়ায় এ যাত্রায় আর বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়া হয়নি তাঁর। ভাগ্যিস হয়নি। ‘ভাগ্যিস’ বলার কারণটা একটু পরেই শোনা যাক।

এক সপ্তাহ আগেই দুই বছরের চুক্তিতে ফিলিপাইন জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন টেরি বুচার। কিন্তু সপ্তাহ পেরোতেই কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ১৯৯০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড দলের এই ডিফেন্ডার। ফিলিপাইনের ডাগ আউটে একটা ম্যাচও না দাঁড়ানোর আগেই সাবেক এই ইংলিশ ডিফেন্ডারের পদত্যাগের কারণ, ফিলিপাইনের ফুটবল যে ‘সিস্টেমে’ চলছে, সফল হওয়ার জন্য তা মোটেই সঠিক নয়। ব্যস, পদত্যাগ করে বসলেন তিনি!

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ফিলিপাইনের অবস্থান ১১৫। নিয়মিত আন্তর্জাতিক ম্যাচের মধ্যে থাকা দেশটির ফুটবল অবকাঠামো ও পরিকল্পনা পছন্দ হয়নি টেরির। সে ক্ষেত্রে তিনি ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৯৪তম বাংলাদেশের কোচ হলে কী যে হতো। দেশের ফুটবলে তো অবকাঠামো বা পরিকল্পনার বালাই নেই। টেরি বুচার বাংলাদেশের কোচ হলে কিন্তু ফিলিপাইনের মতো ঘটনা ঘটতেই পারত।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »