বার্তাবাংলা ডেস্ক »

ফরিদপুরের নগরকান্দা থেকে বিকাশের খোয়া যাওয়া ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার মধ্যে ২১ লাখ ৪০ হাজার টাকা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় বিকাশের একজন কর্মচারী ও তাঁর এক আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন খান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, বিকাশের টাকা সরবরাহকারী টিএসআর ট্রেডিং এর কর্মচারী মো. মশিউর রহমান ওরফে সুমন (২৫) ও তাঁর সম্বন্ধী মো. আহাদ (৩০)। মশিউর ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার মধ্যজগদিয়া এলাকার এবং আহাদ সালথা উপজেলার বঙ্গরদিয়ার বাসিন্দা।

পুলিশ সুপার জাকির হোসেন বলেন, গত ৮ জুলাই বিকাশের ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা নিয়ে উধাও হন বিকাশের টাকা সরবরাহকারী টিএসআর ট্রেডিং এর কর্মচারী মো. মশিউর রহমান ওরফে সুমন (২৫)। পরে টিএসআর ট্রেডিং কর্তৃপক্ষ নগরকান্দা থানায় টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা উন্নত প্রযুক্তি মাধ্যমে মশিউরের মোবাইল ফোন ‘ট্র্যাক’ করি। তাঁর মোবাইলে যতগুলো সিম ব্যবহার করা হয়ে হয়েছে সব গুলো ট্র্যাক করে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারি।’

বুধবার সকালে মশিউরকে নীলফামারী জেলার গুলমুন্ডা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ও ৭০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়। পরে মশিউরের দেওয়া তথ্য মতে তাঁর সম্বন্ধী মো. আহাদকে (৩০) ঢাকা থেকে ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

টিএসআর ট্রেডিং এর স্বত্বাধিকারী মো. অহিদুজ্জামান বলেন, ‘৮ জুলাই মশিউরকে ভাঙা উপজেলায় ব্যাংকে পাঠানো হয় ২৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা উত্তোলন করে নগরকান্দা অফিসে জমা দেওয়ার জন্য। সুমন টাকা উত্তোলন করে নগরকান্দা অফিসের সামনে অফিসের বাইক রেখে আর অফিসে ঢোকে নাই। পরে আমরা তাঁর আর কোনো খোঁজ পাইনি। পরে ৯ জুলাই মশিউরকে আসামি করে আমরা নগরকান্দা থানায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা করি।’

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »