বার্তাবাংলা ডেস্ক »

খরগোশ আর কচ্ছপের গল্প সবাই জানি। নিরলস পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে সফল হয়েছিল কচ্ছপ। আর অলসতা আর অহংকারের কারণে পরাজয় বরণ করেছে খরগোশ। আজকের আলোচনার বিষয় অবশ্য সেটি নয়। বিষয়টি কচ্ছপ নিয়ে। আবারও আলোচনায় এসেছে কচ্ছপ। কচ্ছপ নাকি প্রস্রাব করে মুখ দিয়ে। এমনটিই বলছেন বিজ্ঞানীরা।

সৃষ্টিকর্তা সব প্রাণীকেই প্রস্রাব করার জন্য নির্দিষ্ট অঙ্গ দান করেছেন। কিন্তু কচ্ছপের বেলায়ই হয়তো ব্যতিক্রম করেছেন। চীনে এমন অভাসের প্রাণীও খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সারা পৃথিবীতে এমন অভ্যাসের কথা আগে হয়তো কেউ শোনেননি।

এমন বিচিত্র অভ্যাস কারও থাকতে পারে এমনটি হয়তো বিজ্ঞানীরাও ঘুণাক্ষরে কল্পনা করেননি। কিন্তু তাদের অবাক করে দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, এমন প্রাণীও পৃথিবীতে আছে। চীনে নরম খোলের বিশেষ এক প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে। কচ্ছপের এই প্রজাতি এমন কাজই করে থাকে। তাদের প্রস্রাবের পথ হলো মুখ।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন অদ্ভুত অভ্যাসের প্রাণী পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত একটিরই সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কয়েক বছর আগে চীনের এই বিশেষ প্রজাতির কচ্ছপের মধ্যে মুখ দিয়ে প্রস্রাব করার ঘটনা লক্ষ্য করেন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের গবেষকরা।

নরম খোলের ওই কচ্ছপের মুখের ভেতর এক ধরনের জালক রয়েছে। যা শ্বাস গ্রহণের কাজে লাগে বলে মনে করতেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু সে ধারণা আসলে ঠিক নয়, ওই জালক মূলত প্রস্রাব করার জন্যই ব্যবহৃত হয়। আর এটা জেনে অবাক হয়ে গেছেন গবেষকদের ওই দলটি।

তবে কচ্ছপের এমন অদ্ভুত অভ্যাস থাকলেও মানুষের জীবনে এমন আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। কিডনি সংক্রান্ত রোগের ক্ষেত্রে নতুন গবেষণায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে এই বিশেষ প্রজাতির কচ্ছপের শারীরিক গঠন।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »