মানুষ হিসেবে মঙ্গলগ্রহেও পা রাখবে এই কিশোরী

মঙ্গলগ্রহেও যায়ন এই কিশোরী

রথম মানুষ হিসেবে মঙ্গলে পা রাখবে আইসা কার্সন নামের এক কিশোরী। অনেক আগে থেকেই মহাকাশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে আসছে আইসা। বর্তমানে সে নাসার সঙ্গে কাজ করছেন। তার মঙ্গলে পা রাখার স্বপ্ন সত্যি করার জন্য সব ধরনের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তিনি।

নাসার ২০৩৩ সালের মিশনে মঙ্গলে পা রাখতে চলেছে আইসা। যুক্তরাষ্ট্রের লুসিয়ানা অঙ্গরাজ্যের এই কিশোরী তাই প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন এবং নিজেকে প্রস্তুত করছেন।

লুসিয়ানার হেমন্ডে থাকেন ১৭ বছর বয়সী এই কিশোরী। মহাকাশ বলতেই পাগল সে। ছোটবেলায় ব্যাকইয়ারডিগানস কার্টুন দেখতে দেখতেই তার পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার স্বপ্ন শুরু হয়। ওই কার্টুনের কিছু পর্বে দেখানো হয় যে, একদল প্রাণী বন্ধুরা বেশ কিছু অভিযানে যায়। একটি পর্বে তারা মঙ্গলগ্রহেও যায়।

টিন ভোগকে দেয়া এক সাক্ষাতকার আইসা বলেন, আমি তখন ভাবতাম লাল এই গ্রহটা নিশ্চয়ই খুব শীতল। মঙ্গলে প্রথম মানুষ হিসেবে পা রাখার জন্য আমি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিচ্ছি।

নিজের স্বপ্ন পূরণে একটি হাইস্কুলে চারটি ভাষা শিখছেন আইসা। এই কিশোরী বলেন, আমি মঙ্গলগ্রহ নিয়ে বিভিন্ন ভিডিও দেখা শুরু করেছি। আমার রুমে মঙ্গলের একটি বিশাল মানচিত্র আছে।

আইসা বলেন, অন্য শিশুরা যা করে আমিও তাই করেছি। ক্যারিয়ার সম্পর্কে আমি আমার মনকে বদলে নিয়েছি। আমি একদিন শিক্ষক অথবা দেশের প্রেসিডেন্ট হব।

তিনি বলেন, আমি সব সময়ই এটা নিয়ে চিন্তা করেছি যে, আমি একজন নভোচারী হিসাবে মঙ্গলে যাব। তারপর ফিরে এসে একজন শিক্ষক অথবা দেশের প্রেসিডেন্ট হব।

২০৩৩ সালে নাসার মিশনের অংশ হিসেবে প্রথম মানুষ হিসেবে মঙ্গলে পা রাখবে আইসা। সে সময় তার বয়স হবে ৩২।নাসার মহাকাশ মিশনের জন্য তার এই বয়সই উপযুক্ত।

১৮ বছরের আগে সে নাসার নভোচারী ট্রেনিংয়ে আবেদন করতে পারবেন না। তবে আইসার স্বপ্ন পূরণ করার জন্যই তার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে নাসা।