বার্তাবাংলা ডেস্ক »

রোহিঙ্গাদের নিজ বাসভূমিতে ফেরার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে চীন। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসন প্রক্রিয়া দ্রুত ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চীনের সক্রিয় সহায়তা চাইলে দেশটি এ আশ্বাস দেয়।

শুক্রবার বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বেইজিংয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াংয়ির মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আশ্বাস দেয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী চীনের স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং য়ির আমন্ত্রণে ২৮ জুন থেকে ৩০ জুন তিনদিনব্যাপী চীন সফরে রয়েছেন।

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১১ লাখ রোহিঙ্গার অবস্থা সম্পর্কে বৈঠকে চীনকে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, ‘বিতাড়িত রোহিঙ্গারা এতটাই আতঙ্কগ্রস্ত যে, তারা তাদের ফেরার ক্ষেত্রে নিরাপত্তার পূর্ণ নিশ্চয়তা চায়। তারা তাদের নিজেদের মূল গ্রামে ফিরে যেতে চায়, কোনো আশ্রয় কেন্দ্রে নয়। তাদের জীবিকা অর্জনের সুযোগ দেয়া আবশ্যক।’

ওই বিবৃতিতে বলা হয়, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসন এবং সেখানে গৃহনির্মাণ ও অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে সেখানকার পুনর্বাসন পরিবেশ উন্নয়নে সহায়তার মাধ্যমে তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে তার দেশের পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।

বৈঠকে উভয়পক্ষ ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট লি জিনপিংয়ের ঐতিহাসিক বাংলাদেশ সফরকালে স্বাক্ষরিত যৌথ ইশতেহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। এ ছাড়া চীনের প্রেসিডেন্টের সফরকালে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্জিত অগ্রগতিও আলোচনা করা হয়। বৈঠকে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. ফজলুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »