বার্তাবাংলা ডেস্ক »

এলার্জি নিয়ে সমস্যায় ভোগেন না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অনেক রকম খাবারই রয়েছে যার কারণে এলার্জি হতে পারে। তবে সবারই যে একই খাবারে এলার্জি হয় এমনও নয়। একজনের যে খাবারে এলার্জি হয়ে, অন্যজনের সেই খাবারে না ও হতে পারে। কারো দুধে এলার্জি, কারো বিশেষ কোনো সবজি কিংবা ফলে, আবারও কারো ক্ষেত্রে খাবারে নয়, এলার্জি হয় ধুলোবালিতে।

গমের আটা, পাউরুটি খেলে এলার্জির সম্ভাবনা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। শিশুদের যদি গমে এলার্জি থাকে, তাহলে বার্লি বা অন্যান্য দানাশস্যের ক্ষেত্রেও সেই এলার্জি দেখা যেতে পারে।

গরুর দুধে এলার্জি হয় অধিকাংশ শিশুরই। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রবণতা কমে আসে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডিমের সাদা অংশে থাকা প্রোটিন থেকে এই এলার্জি হয়। তবে এলার্জি থাকলে ডিম পুরোপুরি এড়িয়ে চলাই ভালো।

বেগুন, গাজর, টোম্যাটো, পিচ, কলা থেকে অনেকেই এলার্জির সমস্যায় ভোগেন।

কাজু, পেস্তা, আমন্ড, আখরোট, ব্রাজিল নাটে অনেকেরই এলার্জি থাকে। তবে কোনো এক ধরনের বাদামে অ্যালার্জি থাকা মানেই অন্য বাদামেও অ্যালার্জি হবে এমনটা নাও হতে পারে।

চিংড়ি, কাঁকড়া, ওয়েস্টার, শামুক জাতীয় খাবার যার শক্ত খোল রয়েছে তার থেকেই এলার্জি হয় বিশ্বের প্রায় ৬০% মানুষের।

 

অনেকের বিশেষ কোনো মাছে এলার্জি থাকে, আবার অনেকের স্যালমন, টুনা, ম্যাকরলে জাতীয় সামুদ্রিক মাছ খেলে এলার্জি হয়।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »