বার্তাবাংলা ডেস্ক »

রোববার অর্থনীতি ও বাণিজ্যবিষয়ক মার্কিন সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে হ্যারির বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়ামের বিয়েতে মোট খরচ হয়েছিল প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার (বাংলাদেশি ২৮৩ কোটি ১ লাখ ৩২ হাজার ৩০০ টাকা প্রায়)।

আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও সম্পদ মূল্যায়ন সংস্থা মেসারস ব্র্যান্ড ফিন্যান্সের ভাষ্য, প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান মার্কেলের বিয়েতে ব্রিটিশ অর্থনীতি ১.৩৪৬ বিলিয়ন ডলারে ফুলে-ফেঁপে উঠছে। টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের ফলে দেশটির পর্যটন, খুচরা বিক্রয়, ছোটখাটো রেস্তোরাঁর বিক্রি এক লাফে অনেকটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্যয়ের সিংহভাগ রাজপরিবারের

প্রিন্সের বিয়ের সিংহভাগ অর্থ বহন করেছে রাজপরিবার। বিয়েতে সংগীত, খাবার, ফুল ও অতিথিদের আমন্ত্রণের খরচ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের নেতৃত্বে রাজপরিবার থেকে পরিশোধ করা হয়।

বিজনেস ইনসাইডার বলছে, প্রায় ১০৪.৮ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ রয়েছে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের। যদিও ২০১৬ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রানীর মোট সম্পদের মূল্য প্রায় ৫৩০ মিলিয়ন ডলার।

মেগানের বিয়ের পোশাক

বিশেষ ডাবল বন্ডের সিল্ক পোশাক কিনেছেন মার্কেল। যার নকশা করেছেন ব্রিটিশ ডিজাইনার ক্লেইর ওয়েইট কেলার। ব্রিটিশ এই ডিজাইনার ফরাসি ফ্যাশন হাউস গিভেন্সিতে কাজ করেন।

২০১১ সালে কেট মিডলটন যখন প্রিন্স উইলিয়ামকে বিয়ে করেন তখন কেটের পরিবার মেয়ের বিয়ের পোশাকের জন্য ৩৪ হাজার ডলার পরিশোধ করে। কিন্তু মেগানের বিয়ের বিশেষ এই পোশাকের মূল্য ৫ থেকে ৬ লাখ ডলার।

আরও পাড়ুন : রাজকীয় ঐতিহ্যে হ্যারি-মেগানের ঝাঁকুনি
মেগান তার এই বিয়ের অনুষ্ঠানে কমনওয়েলথভুক্ত ৫৩ দেশকে সঙ্গে চেয়েছেন। এজন্য ডিজাইনার ওয়েইট কেলার নববধূর যে পাতলা রেশমের ঘোমটা তৈরি করেছিলেন তাতে ৫৩ দেশের ফুলের ছাপ রাখেন।

আমন্ত্রিত অতিথি কত?

হ্যারি মেগানের বিয়ের অনুষ্ঠানে উইন্ডসর ক্যাসেলে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ২ হাজার ৬৪০ জন। ১৮৬৩ সালে উইন্ডসর ক্যাসেলে রানী ভিক্টরিয়ার ছেলে প্রিন্স আলবার্টের বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেই সময় থেকেই রাজপরিবারের কোনো সদস্যের বিয়ের জমকালো আয়োজন করা হয় এই ক্যাসেলে।

২০০৫ সালের ৯ মে হ্যারির বাবা প্রিন্স চার্লস (প্রিন্স অব ওয়েলস) ক্যামিলার (ডাচেস অব কর্নওয়াল) সঙ্গে উইন্ডসরেই বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এই বিয়েতে অংশ নেন ব্রিটিশ রানী ও দ্য ডিউক অব এডিনবার্গ।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »