বার্তাবাংলা ডেস্ক »

মক্কা থেকে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মদিনায় হিজরতের দ্বিতীয় মুসলিম উম্মাহর জন্য রোজাকে ফরজ করা হয়েছে। এ রোজা পালনে রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। যারা এ শর্তের আওতায় থাকবে তাদের জন্য রোজা রাখা ফরজ বা আবশ্যক।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা এই (রমজান) মাস পাবে, তারা যেন এ মাসে রোজা পালন করে। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৮৫)।

বান্দার প্রতি রোজা ফরজ হওয়ার জন্য যে শর্তগুলো থাকা আবশ্যক তা হলো-

>> মুসলমান হওয়া। অমুসলিমের ওপর রোজার বিধান প্রযোজ্য নয়;

>> বালেগ বা সাবালক তথা প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া। অপ্রাপ্ত বয়স্ক নাবালেগদের ওপর রোজা ফরজ নয়;

>> আকল সম্পন্ন হওয়া। পাগল, মস্তিষ্ক বিকৃত লোকের ওপর রোজা ফরজ নয়;

>> রোজা পালনে সামর্থবান হওয়া।

>> মুসাফির না হওয়া। কারণ মুসাফিরের জন্য রোজা ফরজ নয়।

রোজার নিয়ত ও সাহরি-ইফতারের দোয়া
আবার অনেকের ওপর রোজা ফরজ ওয়ার শর্ত পাওয়া সত্বেও সাময়িক অবস্থার প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক রোজা রাখার বিধান স্থগিত থাকে। আর তাহলো-

>> নারীদের হায়েয বা ঋতুস্রাব। যা প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নারীদের প্রতি মাসে হয়ে থাকে, যদি সে গর্ভবর্তী না হয়। এবং

>> নিফাস (সন্তান জন্মদান পরবর্তী সময়) থেকে পবিত্র থাকা। কারণ নারীরা হাফেজ ও নিফাস চলাকালীন সময়ে অপবিত্র থাকে। আর অপবিত্র থাকা অবস্থায় রোজা রাখা যায় না।
মনে রাখতে হবে

নারীদের হায়েজ ও নিফাসের কারণে যে কয়টা রোজা ভঙ্গ হবে; ওই রোজাগুলো পরবর্তী সময়ে আদায় করে নিতে হবে। উত্তম হলো পরবর্তী বছর রমজান আসার আগেই তা আদায় করা।

যারা রোজা পালনের শর্তগুলোর আওতায় থাকবে; তাদের জন্য রোজা পালন করা আবশ্যক। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »