বার্তাবাংলা ডেস্ক »

রাজধানীর কাওরান বাজারে বাস দুর্ঘটনায় হাত হারানো সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী রাজিব হোসেন মস্তিষ্কেও আঘাত পেয়েছেন। তার মাথার সামনের অংশের দু’পাশের মস্তিষ্কে বেশ আঘাত লেগেছে। যা এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাজিবকে দেখতে গিয়েছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও পটুয়াখালী-২ অাসনের সংসদ সদস্য এ এস এম ফিরোজ (এমপি)। এ সময় রাজিবের চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ডের এ সদস্য চিফ হুইপকে এ তথ্য জানান।

ঢামেক অাইসিইউর ৩০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রাজিবের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন চিফ হুইপ। হুইপ ফিরোজ বলেন, ‘রাজিব অামি চিফ হুইপ ফিরোজ, চিনতে পারছ?’ চোখ বন্ধ রেখে ‘হুম’ বলে সাড়া দেন রাজিব। পরে চিফ হুইপ বলেন, ‘চিন্তা করো না, অামরা অাছি তোমার পাশে। প্রধানমন্ত্রী অাছে তোমার পাশে।’ এ সময় রাজিব মাথা নেড়ে কিছু একটা বলার চেষ্টা করেন। তবে তিনি বলতে পারেননি। শুধু মাথা নাড়েন।

রাজিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তার চিকিৎসা সম্পর্কে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলেন চিফ হুইপ। কর্তব্যরত একজন চিকিৎসক চিফ হুইফকে বলেন,‘রাজিবের শুধু হাত ডেমারেজ হলে হয়তো তেমন শঙ্কা থাকতো না। কিন্তুু তার মাথার সামনের অংশের দু’পাশের মস্তিষ্কে আঘাত রয়েছে। এটিই এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা।’

পরে চিফ হুইপ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, রাজিবের চিকিৎসায় সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ ও সরকার। সেই সঙ্গে তার ক্ষতিপূরণে অাদালত যে রায় দিয়েছেন তা পরিশোধের অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, রাজিব হোসেন হয়তো শুধু হাতই হারিয়েছেন। কিন্তু সিটি স্ক্যান ও এমআরই করার পর চিকিৎসকরা গতকাল (বৃহস্পতিবার) জানিয়েছেন, ‘রাজিবের মাথার খুলিতেও চিড় ধরেছে। মস্তিস্কেও তার আঘাত লেগেছে, রক্ত জমেছে। জ্ঞান ফিরলেও কথা বলছেন না, খাবারও মুখে তুলছেন না।’

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »