বার্তাবাংলা ডেস্ক »

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন, ইসরায়েলের নিজেদের ভূমিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের ‘অধিকার’ আছে। গতকাল সোমবার মার্কিন সংবাদ সাময়িকী দ্য আটলান্টিক সৌদি যুবরাজের এক সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে। সেখানেই তিনি এ কথা বলেন বলে রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়।

সম্প্রতি তিন সপ্তাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন মোহাম্মদ বিন সালমান। তখনই তিনি এ সাক্ষাৎকার দেন।

সৌদি আরব ও ইসরায়েলের কোনো ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুতগতিতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটেছে। দুটি দেশই ইরানকে তাদের উভয়ের হুমকি বলে মনে করে।

তেহরান ও রিয়াদের মধ্যকার উত্তেজনা সৌদি আরবকে ইসরায়েলের দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, দুই দেশই পরমাণু শক্তিধর ইরানকে হুমকি হিসেবে দেখছে। দুই দেশের অন্যতম মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। আর দুই দেশই সশস্ত্র ইসলামি জঙ্গিদের আক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

দ্য আটলান্টিকের প্রধান সম্পাদক জেফরি গোল্ডবার্গ সৌদি প্রিন্সের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, নিজেদের পিতৃপুরুষের ভূমিতে একটি জাতিরাষ্ট্র হিসেবে ইহুদিদের বসবাসের সুযোগ আছে বলে তিনি মনে করেন কি না।

এর জবাবে যুবরাজ বলেন, ‘আমি মনে করি, যেকোনো মানুষের একটি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্রে বসবাসের অধিকার রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, নিজেদের ভূমির ওপর ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলিদের অধিকার আছে। কিন্তু আমাদের এখন একটি শান্তিচুক্তি দরকার, যাতে সব পক্ষই স্থিতিশীল ও স্বাভাবিক একটি সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে।’

এএফপির খবরে বলা হয়, ২০০২ সাল থেকে চলা আরব শান্তি উদ্যোগের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সৌদি আরব। তাদের স্বপ্ন দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলিদের সংকট সমাধান হবে।

কিন্তু মোহাম্মদ বিন সালমানের আগে কোনো সৌদি কর্মকর্তা ইসরায়েলের ভূমি অধিকারের বিষয়টি মেনে নেননি।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »