বার্তাবাংলা ডেস্ক »

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত খালেদা জিয়ার জামিন পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিচার বিভাগ যে স্বাধীনভাবে কাজ করছে, এটা তারই প্রমাণ।
জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় নিম্ন আদালতের দেওয়া ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসনের আপিল গ্রহণ করে তাকে চার মাসের জামিনের আদেশ সোমবার দিয়েছে হাই কোর্ট।

বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না বলে বিএনপির বহু দিনের অভিযোগ। তাদের নেত্রীকেও ‘গায়ের জোরে’ সাজা দেওয়া হয়েছে বলে বিএনপি নেতাদের দাবি।

খালেদার জামিনের আদেশের পর আইনমন্ত্রী সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “বিএনপি নেতারা সারাদেশে বলে বেড়াচ্ছিলেন, আমরা নাকি আদালতে ইন্টারফেয়ার (হস্তক্ষেপ) করছি বলে বেইলটা (জামিন) হচ্ছে না।

“আজকে প্রমাণিত হল, বিচার বিভাগ যে স্বাধীন এবং বিচার কাজে যে সরকার হস্তক্ষেপ করে না।”

খালেদার জামিনের আদেশের পর সরকারের পদক্ষেপ কী হবে, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, এটা দুর্নীতি দমন কমিশনের বিষয়।

“দুর্নীতি দমন আইনে বলা আছে, দুর্নীতি দমন কমিশন হবে পক্ষ, রাষ্ট্র উইল বি দ্য সেকেন্ড পার্ট। তাহলে এখন দাঁড়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন বনাম আসামি খালেদা জিয়া। এখন দুর্নীতি দমন কমিশন কী করবেন, সেই সিদ্ধান্ত তারা নেবেন। এটা সরকারের ব্যাপার নয়।”

জামিনের আদেশ হলেও তা কারা কর্তৃপক্ষের কাছে না পৌঁছনো পর্যন্ত খালেদা জিয়া মুক্ত হচ্ছেন না বলে স্পষ্ট করেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “যদি (হাই কোর্টের) রিটেন অর্ডার থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে সার্টিফাইড কপি যদি ওনারা বলে থাকেন অ্যাডভান্সড অর্ডারের সার্টিফাইড কপি চলে যাওয়ার, তাহলে অ্যাডভান্সড অর্ডারের সার্টিফাইড কপি যাবে।

“আর যদি উনারা বলে থাকেন আমরা সার্টিফাইড কপি দিলে পরে, তবে সেই আদেশ যতক্ষণ পর্যন্ত না জেলখানায় পৌঁছে আদালতের মাধ্যমে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে রিলিজ করা হবে না।”

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »