বার্তাবাংলা ডেস্ক »

belochiবার্তবাংলা রিপোর্ট :: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে বিএনপির ২ কর্মী নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন পুলিশ-সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন।

নিহতরা হলেন-সর্বতুলসী গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে যুবদল কর্মী ফরিদুল (২০) ও কল্যাণপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে ছাত্রদল কর্মী ইউনুস আলী (১৮)। এরা উল্লাপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মারা যান।

আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ আরও ২ জনের অবস্থা গুরুতর। হামলাকারীদের আঘাতে বিটিভি’র সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি গাজী এস এইচ ফিরোজী ও মাইটিভির সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি রহমত আলী গুরুতর আহত হয়েছেন।

সাংবাদিকদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ২০ রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম আলিম দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বেলকুচি উপজেলার মৌপুর বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলকুচিতে হরতালের সময় আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর মামলার তালিকাভুক্ত আসামি হাবিবুর রহমানকে ধরতে মৌপুর গ্রামে যায় পুলিশ। এ সময় আসামি জামায়াত কর্মী হাবিববুর রহমানকে আটক করে নিয়ে মৌপুর বাজারে এলে পুলিশের ওপর হামলার চালায় জামায়াত-শিবির ও বিএনপির কর্মীরা।

এ খবর পেয়ে আওয়ামীলীগ কর্মীরা এগিয়ে গেলে জামায়াত ও বিএনপি কর্মীরা মসজিদের মাইকে মাইকিং করে পাশের ৩টি গ্রামের নিজেদের দলীয় লোক জড়ো করে। পরে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে দুই সাংবাদিক-পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।

এ সময় গুলিবিদ্ধ হন ৪ জন। এদের মধ্যে দুইজন উল্লাপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মারা যান।

সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোকতার হোসেন বলেন, “আমরা শুনেছি দুইজন মারা গেছে।বতর্মানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বেলকুচিতে অতিরিক্ত র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »