বার্তাবাংলা ডেস্ক »

পা ফোলার কারণ হতে পারে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অপুষ্টি, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, অতিরিক্ত ওজন ইত্যাদি। এছাড়া দীর্ঘসময় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা, বয়স, গর্ভাবস্থা, ঋতুস্রাবজনিত ও রক্ত সঞ্চালনজনীত সমস্যাও দায়ী হতে পারে। সমস্যা যদি সাধারণ হয় তবে প্রতিকারের জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক পন্থা।

পা ফোলা সমস্যা কমাতে প্রচলিত ও কার্যকর বেশ কয়েকটি পন্থা বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট অবলম্বনে এখানে দেওয়া হল।

ইপসম লবণ: পেডিকিউর করার সময় এক গামলা কুসুম গরম পানিতে আধা কাপ ইপসম লবণ গুলিয়ে তাতে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। এতে পা ফোলা কমবে, রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, অস্বস্তি কমবে দ্রুত। সপ্তাহে তিন দিন পদ্ধতিটি অনুসরণ করতে হবে।

লবণ খাওয়া কমানো: লবণ বেশি খেলে শরীর পানি শোষণ করে বেশি, ফলে পা ফোলার সম্ভাবনা বাড়ে। এজন্য দূরে রাখতে হবে টিনজাত, প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার, সস, কোমল পানীয়, ফাস্ট ফুড ইত্যাদি।

ম্যাগনেসিয়ামের অভাব: শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে হাত-পা ফুলতে পারে। তাই সবুজ পত্রল শাকসবজি, বাদাম, বীজজাতীয় খাবার, মাছ, সয়াবিন, অ্যাভোকাডো, কলা, ডার্ক চকলেট ইত্যাদি ম্যাগনেসিয়ামে ভরপুর খাবার খাদ্যাভ্যাসে নিয়মিত রাখা উচিত।

মালিশ: নারিকেল তেল, টি ট্রি অয়েল, নিমের তেল, কাঠবাদামের তেল ইত্যাদি দিয়ে পা মালিশ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে পায়ের ভেতর বাড়তি তরল সরাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তেল কুসুম গরম করে পায়ের নিচ থেকে উপরের দিকে মালিশ করতে হবে। আদর্শ সময় হল প্রতিরাতে, গোসলের আগে।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার: এতে থাকে পটাশিয়াম, যা বাড়তি তরম অপসারণে সহায়ক। সমপরিমাণ কুসুম গরম পানি ও অ্যাপল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে তাতে পরিষ্কার তোয়ালে ভিজিয়ে নিতে হবে। হালকা চেপে পানি ফেলে তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখতে হবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। দুই টেবিল-চামচ অশোধিত অ্যাপল সাইডার ভিনিগার এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে পান করতে পারেন, দিনে দুবার।

ধনিয়া: প্রদাহনাশক উপাদান আছে এই মসলায়। যা পা ফোলা কমাতে সহায়ক। এক গ্লাস পানিতে দুতিন টেবিল-চামচ ধনিয়া অর্ধেক হওয়া পর্যন্ত ফুটিয়ে নিতে হবে। পরে তা ছেঁকে ও ঠাণ্ডা করে দিনে দুইবার পান করতে হবে।

আদা: মূত্রবর্ধক, তাই শরীর থেকে বাড়তি তরল অপসারণের মাধ্যমে পা কমাতে সাহায্য করে এটি। আদা থেকে তৈরি এসেন্সিয়াল অয়েল দিয়ে পা মালিশ করতে পারেন। অথবা দিনে দুতিন কাপ আদা-চা পান করতে পারেন। কাঁচাআদা চিবিয়ে খাওয়াও বেশ উপকারী।

শেয়ার করুন »

মন্তব্য করুন »