দিলশানের শতকে বড় জয় শ্রীলঙ্কার » Leading News Portal : BartaBangla.com

বার্তাবাংলা ডেস্ক »

dilshanবার্তাবাংলা রিপোর্ট :: বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সুবিধা দারুণ কাজে লাগালো শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে জিতে নিয়েছে আট উইকেটে। শ্রীলঙ্কার জয়ের নায়ক ওপেনার তিলকারত্নে দিলশান। শেষপর্যন্ত খেলে ১১৩ রানে অপরাজিত তিনি।

বাংলাদেশ: ২৫৯/৮  (৫০ ওভার)
শ্রীলঙ্কা : ২৩৮/২ (৩৫.৪ ওভার)
ফল: শ্রীলঙ্কা ৮ উইকেটে জয়ী

২৩৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩২ বল হাতে রেখেই গন্তব্যে পৌঁছায় স্বাগতিকরা। এর আগে তামিম ইকবালের শতকে আট উইকেট হারিয়ে ২৫৯ রান তোলে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে খেলায় বিঘ্ন ঘটলে শ্রীলঙ্কাকে ৪১ ওভারে ২৩৮ রানের পরিবর্তিত লক্ষ্য দেওয়া হয়।

হাম্বানটোটায় জবাব দিতে গিয়ে উদ্বোধনী জুটিটে স্বাগতিকদের ঝড়ো সূচনা এনে দেন কুশল জেনিথ পেরেরা ও তিলকারত্নে দিলশান। ১৩তম ওভারে ১০৬ রান তোলার পর এই জুটি ভাঙ্গেন স্পিনার সোহাগ গাজী।  ৩৫ বলে পাঁচ চার ও এক ছয়ে ৪২ রানে গাজীর বলে নাসিরের তালুবন্দি হন জেনিথ পেরেরা। তবে কুমার সাঙ্গাকারাকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ১২৮ রানের জুটি গড়ে শ্রীলঙ্কার সহজ জয় নিশ্চিত করেন শতক করা তিলকারত্নে দিলশান। দলীয় ২৩৪ রানের মাথায় কুমার সাঙ্গাকারাকে সাজঘরে পাঠান পেসার রুবেল হোসেন। ৬৮ বলে ছয় চারে ৬৩ রান করেন সাঙ্গাকারা।

নতুন ব্যাটসম্যান দিনেশ চান্দিমালকে (৩ অপঃ) নিয়ে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন ১০৮ বলে ১১টি চারের সাহায্যে ১১৩ রানে অপরাজিত থাকা দিলশান।

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে সফরকারীদের ভাল সূচনা এনে দেন তামিম ও এনামুল। ৪৬ বলে ৪৪ রান তোলার পর এই জুটি ভাঙ্গেন থিসারা পেরেরা। ১৩ রানে বোল্ড হন এনামুল। টেস্টের মতো ওয়ানডের প্রত্যাবর্তন হয়নি আশরাফুলের। পাঁচ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই নুয়ান কুলাসেকেরার শিকার তিনি।  অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে (৩ রান) ফেরালেন আরেক অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।

চতুর্থ উইকেটে মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে ৬৬ রানের জুটিতে বোলারদের বিপক্ষে প্রতিরোধ গড়েন তামিম। ম্যাথিউসের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাহমুদউল্লাহ (২৯) বিদায় নিলেও নাসির হোসেনকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান তামিম। পঞ্চম উইকেটে ৭৫ রানের সর্বোচ্চ জুটি গড়ার পথে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতকের দেখা পান বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান।

দলীয় ২০৪ রানে রান-আউটে ক্রিজ ছাড়তে হয় তামিমকে। তাকে অনুসরণ করে পরের বলেই সাজঘরের পথ ধরেন জিয়াউর রহমান। সোহাগ গাজী (৬) ও আবুল হাসান (৩) দ্রুত বিদায় নিলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে বাংলাদেশের সম্মানজনক স্কোর গড়তে ভূমিকা রাখেন নাসির হোসেন। ৫৯ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত এই ব্যাটসম্যান ছয়টি চার ও তিনটি ছয় হাঁকিয়েছেন।

তামিম ইকবাল ১৩৬ বলে সর্বোচ্চ ১১২ রান করেন। ইনিংসে ১০টি চার ও একটি ছয়ের মার রয়েছে তার ইনিংসে।

লাসিথ মালিঙ্গা ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস দুটি করে উইকেট নেন। নুয়ান কুলাসেকারা, থিসারা পেরেরা ও সচিত্র পেরেরা শিকার করেন একটি করে উইকেট।

শেয়ার করুন »

লেখক সম্পর্কে »

মন্তব্য করুন »